
‘সহজ কিস্তি’, ‘০% সুদ’ গ্রাহক আকৃষ্ট করতে এমন প্রচারণার আড়ালে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কেন? চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো বাংলাদেশের কিস্তি বিক্রয়ব্যবস্থা নিয়ে এমন প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। ৯ মাসের কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে নগদ মূল্যের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে গ্রাহককে। অথচ প্রচারণায় বলা হচ্ছে ‘০% সুদ’।
রাজধানীর পুলিশ প্লাজায় ভিভো বাংলাদেশের একটি শোরুমে গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) গিয়ে কিস্তি সুবিধার এমন চিত্র দেখা যায়। সেখানে ভিভো ভি ৮০ লাইটের ৮/১২৮ জিবি সংস্করণের নগদ মূল্য ৫৯ হাজার ৯৯৯ টাকা। ৩০ শতাংশ অগ্রিম দেওয়ার পর বাকি থাকে ৩৮ হাজার ৩৯৯ টাকা। কিন্তু ৯ মাসের কিস্তিতে এই টাকা পরিশোধ করতে গেলে গ্রাহককে দিতে হচ্ছে আরও ৩ হাজার ৬০৪ টাকা। অর্থাৎ বাকি টাকার ওপর প্রায় ৯ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়তি অর্থ।
একইভাবে ৮/২৫৬ জিবি সংস্করণের নগদ মূল্য ৬৯ হাজার ৯৯৯ টাকা। ৩০ শতাংশ অগ্রিম দেওয়ার পর বাকি থাকে ৪৪ হাজার ৭৯৯ টাকা। কিস্তিতে এই অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে আরও ৩ হাজার ৮০০ টাকা দিতে হচ্ছে। দুই ক্ষেত্রেই প্রশ্ন উঠছে যদি এটি সুদ না হয়, তাহলে এই বাড়তি অর্থ কোন খাতে এবং কীসের ভিত্তিতে নেওয়া হচ্ছে?
‘০% সুদ’, কিন্তু বাড়তি টাকা কেন?
ভিভো বাংলাদেশের দাবি, ‘০% ইন্টারেস্ট’ বলতে নির্দিষ্ট প্রচারণামূলক পরিকল্পনায় কোনো অতিরিক্ত সুদ না নেওয়াকে বোঝায়। তবে কোনো সেবা বা প্রক্রিয়াকরণ ফি থাকলে সেটি সুদ নয়। প্রতিষ্ঠানটি আরও বলেছে, কিস্তি চুক্তির আগে গ্রাহককে অগ্রিম, প্রযোজ্য চার্জ, মাসিক কিস্তি, মেয়াদ ও মোট পরিশোধযোগ্য অর্থ জানানো হয়।
কিন্তু এখানেই তৈরি হচ্ছে বড় প্রশ্ন। একটি ফোনের নগদ মূল্যের তুলনায় কিস্তিতে প্রায় ১০ শতাংশ বেশি অর্থ দিতে হলে সেই অর্থের সুনির্দিষ্ট নাম, হার ও হিসাব গ্রাহকের কাছে কতটা পরিষ্কার? ‘০% সুদ’ বলার পাশাপাশি এমন বাড়তি অর্থ নেওয়া হলে সেটি সাধারণ গ্রাহকের কাছে আলাদাভাবে স্পষ্ট করা হচ্ছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা জরুরি।
থার্ড পার্টির দায়, জানানো হয়নি কেন?
অভিযোগের জবাবে ভিভো এবার বলেছে, তারা নিজেরা কোনো হায়ার পারচেজ বা অর্থায়ন ব্যবসা পরিচালনা করে না। তৃতীয় পক্ষের হায়ার পারচেজ সলিউশন প্রদানকারীরা কিস্তি, অর্থায়নের শর্ত ও ডিভাইস নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলো পরিচালনা করে।
কিন্তু ভিভোর ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ফটোকার্ড বিজ্ঞাপন ও গত (৬ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস রিলিজ থেকে তৃতীয় পক্ষের এই ভূমিকা আগে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি বলে প্রশ্ন উঠেছে। যদি কিস্তির পুরো প্রক্রিয়াই তৃতীয় পক্ষ পরিচালনা করে, তাহলে ‘০% সুদ’ প্রচারণার সময় সেই প্রতিষ্ঠানের নাম, চার্জ কাঠামো এবং গ্রাহকের মোট পরিশোধযোগ্য অর্থ আরও স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হলো না কেন?
‘১০ শতাংশ সার্ভিস চার্জ’ কতটা যৌক্তিক?
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, বাড়তি ৩ হাজার ৬০৪ টাকা বা ৩ হাজার ৮০০ টাকা যদি সুদ না হয়ে ‘সার্ভিস’ কিংবা ‘প্রক্রিয়াকরণ’ বাবদ নেওয়া হয়, তাহলে সেই চার্জের হার কীভাবে নির্ধারিত? একটি স্মার্টফোনের কিস্তি সুবিধার জন্য প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তি অর্থ নেওয়ার যৌক্তিকতা কী? এ অর্থের বিপরীতে গ্রাহককে কী সেবা দেওয়া হচ্ছে?
এদিকে ভিভো বলেছে, কিস্তির টাকা পরিশোধে দেরি হলে ডিভাইস নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি তারা পরিচালনা করে না; এটি তৃতীয় পক্ষের কিস্তি ব্যবস্থাপনার অংশ। গ্রাহককে এ বিষয়ে আগে জানানো এবং সম্মতি নেওয়া হয় বলেও দাবি প্রতিষ্ঠানটির।
তবে গ্রাহকের নিজের কেনা ফোন কিস্তি বকেয়ার কারণে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ বা লক করার মতো ব্যবস্থার আইনগত ভিত্তি, শর্ত এবং তথ্যনিরাপত্তার বিষয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
সব মিলিয়ে ‘০% সুদ’ প্রচারণা, প্রায় ১০ শতাংশ বাড়তি অর্থ এবং সেই অর্থের প্রকৃত হিসাব তিনটি বিষয় নিয়েই এখন স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠেছে। সুদ না হলে বাড়তি টাকা কেন, আর বাড়তি টাকা হলে তার প্রকৃত খাত ও হার গ্রাহকের সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হচ্ছে না কেন এই প্রশ্নের উত্তর ভিভো ও সংশ্লিষ্ট কিস্তি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকেই দিতে হবে।
টেক বিশেষজ্ঞ সাইফ আহমেদের মতে, গ্রাহকের ব্যবহৃত ডিভাইস দূর থেকে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি ডিজিটাল গোপনীয়তা ও তথ্যনিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করে। তার মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা কী শর্তে, কোন আইনি ভিত্তিতে এবং গ্রাহকের সম্মতিতে করা হচ্ছে তা স্বচ্ছভাবে জানানো জরুরি।
বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন বলেন, ০% কিস্তির নামে হ্যান্ডসেট বিক্রির ক্ষেত্রে ভিভো প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে, যা গ্রাহকদের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণার শামিল।
গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ ও কার্যকর করতে রূপায়ণ সিটি উত্তরা এবং বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফার্নিচার ব্র্যান্ড নাভানা ফার্নিচার সাভারে তাদের নতুন শো-রুমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নাভানা ফার্নিচারের প্রতিনিধিবৃন্দ, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। ফিতা কাটা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
‘সহজ কিস্তি’, ‘০% সুদ’ গ্রাহক আকৃষ্ট করতে এমন প্রচারণার আড়ালে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কেন? চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো বাংলাদেশের কিস্তি বিক্রয়ব্যবস্থা নিয়ে এমন প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। ৯ মাসের কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে নগদ মূল্যের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে গ্রাহককে। অথচ প্রচারণায় বলা হচ্ছে ‘০% সুদ’।
দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং শিল্পখাতের চাহিদার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’, যার আয়োজন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউসেপ বাংলাদেশ। ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত অল্টারনেটিভ লার্নিং প্রজেক্ট (ALP) এবং জিআইজেড-এর Advantage প্রজেক্ট-এর আওতায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজন তরুণদের জন্য নতুন কর্মজীবনের সুযোগ উন্মোচনের পাশাপাশি নিয়োগদাতা ও চাকরিপ্রত্যাশীদের এক ছাদের নিচে নিয়ে আসে।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।