

রাতের বেলা লোডশেডিং (বিদ্যুৎ বিভ্রাট) হলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) আবাসিক হলগুলোতে দেখা যায় ভিন্নধর্মী দুই চিত্র। কোনো কোনো হল ডুবে যায় ঘুটঘুটে অন্ধকারে, আবার কোথাও ঝলমলে আলোয় স্বাভাবিক কার্যক্রম চলতে থাকে।
মূলত জেনারেটর সুবিধার তারতম্যের কারণেই এই বৈষম্য তৈরি হয়েছে। যেসব হলে জেনারেটরের ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক স্বস্তিতে থাকলেও, অন্য হলগুলোতে নেমে আসে চরম ভোগান্তি। বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটে, বন্ধ হয়ে যায় ইন্টারনেট সংযোগ, পাশাপাশি দেখা দেয় নিরাপত্তা শঙ্কাও।
একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়েও সমান সুবিধা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ২১টি আবাসিক হলের মধ্যে নবনির্মিত ছয়টি হলে জেনারেটরের ব্যবস্থা রয়েছে। বাকি ১৫টি হলে এখনো এ সুবিধা চালু হয়নি। জেনারেটর সুবিধা থাকা হলগুলো হলো- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল, শহিদ তাজউদ্দীন আহমেদ হল, নওয়াব সলিমুল্লাহ হল, বীর প্রতীক তারামন বিবি হল, রোকেয়া হল এবং ফজিলাতুন্নেছা হল।
আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা জানান, রাতের বেলা লোডশেডিং হলে যেসব হলে জেনারেটরের ব্যবস্থা নেই, অর্থাৎ পুরাতন হলগুলোতে অন্ধকারে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং পড়াশোনাও ব্যাহত হয়। দিনের বেলায় বিদ্যুৎ না থাকলে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হয়ে যায়, পাশাপাশি গ্রীষ্মের তীব্র গরমেও পাখা চালানো সম্ভব হয় না।
এছাড়া ঘুটঘুটে অন্ধকারে নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়। সব মিলিয়ে জেনারেটর সুবিধাবঞ্চিত হলগুলোর শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রীতিলতা হলের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান বলেন, পুরাতন হলের বাসিন্দা হিসেবে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হতে হয় তাদেরই। জেনারেটর ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় লোডশেডিং হলে পুরো হলজুড়ে নেমে আসে ঘুটঘুটে অন্ধকার। এমনকি ওয়াশরুমগুলোতেও থাকে না কোনো আলোর ব্যবস্থা।
তিনি আরও বলেন, গ্রীষ্মকালে এই পরিস্থিতি যেন পুরাতন হলের শিক্ষার্থীদের জন্য একপ্রকার অভিশাপে পরিণত হয়। এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য দ্রুত জেনারেটর স্থাপন, পুরোনো বৈদ্যুতিক লাইন সংস্কার এবং পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সায়েল শাহরিয়ার বলেন, নতুন নির্মিত হলগুলোতে জেনারেটর থাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকলেও সেখানে তেমন কোনো সমস্যা হয় না। তবে পুরাতন হলগুলোর চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিদ্যুৎ চলে গেলে অন্ধকারেই বসে থাকতে হয়, যা শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই কষ্টকর।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি শুধু অন্ধকারে থাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়
এতে পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়। বিশেষ করে সামনে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি। তার মতে, সব আবাসিক হলে জেনারেটরের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার্থীরা এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে পারে।
এ বিষয়ে জাকসু সমাজসেবা সম্পাদক আহসান লাবিব বলেন, আমরা দেখছি পুরাতন হল গুলোতে জেনারেটর নেই।বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে হল গুলোতে অন্ধকার নেমে আসে।এটা শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির অন্যতম কারণ। গরমের সময় এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট আরোও বাড়বে।এই বিষয় গুলো ভেবে আমরা জাকসু থেকে প্রশাসন কে জানিয়েছি ,তারা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখবে বলে জানিয়েছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান জানান, পুরাতন হলগুলোতে বিদ্যুৎ চলে গেলে প্রতি ফ্লোরে হলেও একটি করে লাইটের বিশেষ করে সিঁড়ি ও বাথরুমে আলোর ব্যবস্থা থাকা অত্যন্ত জরুরি।ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ না থাকলে এতগুলো শিক্ষার্থী কোথায় যাবে। পুরনো হলগুলোকে যদি সোলার সিস্টেমের আওতায় আনা যায়, তাহলে দিনের বেলার শক্তি সঞ্চয় করে রাখা সম্ভব হবে। বিদ্যুৎ চলে গেলে সেই সঞ্চিত শক্তি ব্যবহার করে করিডোর ও বাথরুমের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জরুরি আলোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এতে খুব বেশি অর্থের প্রয়োজন হবে না বলে মনে করি।
এটি একটি ভালো উদ্যোগ হতে পারে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অর্থায়নে, ইউজিসি বা অন্য কোনো সংস্থার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। বিষয়টি নিয়ে আমি আগামী প্রশাসনিক সভায় আলোচনা করব এবং উপাচার্য মহোদয়কেও অবগত করব। আমার মতে, সোলার সিস্টেম এই সমস্যার একটি সহজ ও কার্যকর সমাধান হতে পারে।
প্রতিবেদন: ইফফাত রাইসা নূহা ,জাবি
‘সহজ কিস্তি’, ‘০% সুদ’ গ্রাহক আকৃষ্ট করতে এমন প্রচারণার আড়ালে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কেন? চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো বাংলাদেশের কিস্তি বিক্রয়ব্যবস্থা নিয়ে এমন প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। ৯ মাসের কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে নগদ মূল্যের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে গ্রাহককে। অথচ প্রচারণায় বলা হচ্ছে ‘০% সুদ’।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং শিল্পখাতের চাহিদার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’, যার আয়োজন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউসেপ বাংলাদেশ। ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত অল্টারনেটিভ লার্নিং প্রজেক্ট (ALP) এবং জিআইজেড-এর Advantage প্রজেক্ট-এর আওতায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজন তরুণদের জন্য নতুন কর্মজীবনের সুযোগ উন্মোচনের পাশাপাশি নিয়োগদাতা ও চাকরিপ্রত্যাশীদের এক ছাদের নিচে নিয়ে আসে।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।