সারাদেশ
ট্রাফিক পুলিশের ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
সিলেট নগরীতে এসব সিএনজি অবাধে চলার নেপত্যে ৩ কারিগর হচ্ছেন ট্রাফিকের ৩ (টিআই) পুলিশ কর্মকর্তা। এদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অভিযোগ তুলছেন ভূক্তভোগীরা,এরা হচ্ছেন সাবেক কর্মস্থল দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্বর বর্তমান সিটি এলাকা বন্দরবাজার এলাকায় কর্মরত টিআই মতিউর রহমান, আম্বরখানা এলাকায় কর্মরত টিআই আজাদ ও দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্বরে কর্মরত টিআই দিলওয়ারের বিরুদ্ধে।
ভূক্তভোগীদের অভিযোগে জানা যায়, দক্ষিণ সুরমা ওভার ব্রিজের নিচে ড্রাইবার রবের মাধ্যমে সিলেট নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে মাসিক এক হাজার ও ১২শ টাকার টোকন ও মামলার মাধ্যমে ওই তিন কর্মকর্তার মাধ্যমে ওই সব অবৈধ গাড়ি চালাতেন বলে জানা গেছে। সম্প্রতি কিছু দিন পূর্বে বৈচিত্র্যময় সিলেটে সংবাদ প্রকাশের পর নাম্বারবিহীন গাড়ি গুলোর বিরুদ্ধে ট্রাফিক অফিস থেকে বিশেষ অভিযান পরিচালনার পর কিছু দিন বন্ধ হলে গত ১ মাস ধরে আবারও চালু হয়েছে টোকন বাণিজ্য। ঘুরে ফিরে ওই তিন কর্মকর্তার নাম বার-বার উঠে আসছে অটো রিক্সা ব্যবসায়ীদের মুখে। সরেজমিনে দেখা যায়,এসব সিএনজি মূলত কুমিল্লা, চট্টগ্রাম বা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে পুরাতন বাঙাড়ি বিক্রেতাদের কাছ থেকে ৩০/৪০ হাজার টাকা ক্রয় করে সিলেটে এনে বডি ও ইঞ্জিন মেরামত করে ভূয়া অকশন ও জিডি নাম্বার লিখে ৩ থেকে ৪ লক্ষ টাকা বিক্রি করছে একটি চক্র। বিভিন্ন গাড়িতে লেখা জিডি ও অকশনের নাম্বারের সূত্রে ধরে দেখা যায়, এসব নাম্বার গুলো কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন থানায় করা জিডি। অনেক গাড়িতে দেখা যায় আদালত হতে নিলামকৃত গাড়ি বলে লিখে একটি অকশন নাম্বার ব্যবহার কারছেন। মূলত গুলো সিলেটের কোন থানায় জিডি বা অকশন হয়নি। অসাধু একটি চক্র ট্রাফিক পুলিশের মাসিক টোকন বা মামলায় মাসিক একহাজার ও ১২শ টাকার বখার মাধ্যমে ওই গাড়ি নগরীতে চালানোর অনুমতি দেওয়া হয় বলে জানা যায়। আর সব গাড়ি চালানোর পেছনে রয়েছে বিভিন্ন সিএনজি স্ট্যান্ডের ম্যানেজার, টোকন বিক্রেতার লাইনম্যান, সিলেট জেলা ও মহানগর সিএনজি পরিচালনা কমিটির নেতাকর্মীরা। এরা ট্রাফিক অফিসের বড়কর্তাদের সহযোগীতায় বেশ কয়েক জন ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট ও টিআইকে কে মাসিক বখরার মাধ্যমে সিএনজি চলতে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপরে আম্বরখানা পয়েন্টে দায়িত্বে থাকা ট্রাফিকের টিআই আজাদের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি উক্ত বিষয়ের সকল অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন। বন্দর পয়েন্টে দায়িত্বে থাকা টিআই মতিউর রহমানের সাথে কথা বলে আমাদের প্রতিবেদকে তার বক্তব্য প্রদানে অস্বীকৃতি জানান এবং কথা বলা অবস্থায় মোবাইল ফোন কেটে দেন। পরে একাধিক বার ফোন দেওয়ার পর আর কোন ফোন রিসিভ করেননি। অপর দিকে দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্বরের দায়িত্বে থাকা দিলওয়ার এর সাথে একাধিক বাবার তিনির মোবাইল ফোনে কল দিলে কোন ফোন রিসিভ করেন নি।
এদিকে নাম্বার বিহীন গাড়ি শহরের সয়লাবের ফলে গোঠা সিলেট নগরীতে তিব্র যানজট লেগে থাকে বিভিন্ন সিগন্যাল পয়েন্টে।
জনপ্রিয়
সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
বিদেশি নারী পর্যটককে ধর্ষণচেষ্টা মামলায় তিনজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড
কক্সবাজারে বিদেশি এক নারী পর্যটককে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনজনকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বিএসটিআইয়ের অভিযানে অনুমোদনহীন গিজার বিক্রির দায়ে হায়ার বাংলাদেশকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
বৈধ মানসনদ (সিএম লাইসেন্স) ও প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ছাড়া স্টোরেজ ওয়াটার হিটার (গিজার) বাজারজাত করার অভিযোগে হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেডকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। রাজধানীর গুলশান এলাকায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে এ জরিমানা করা হয়।

মিয়ানমারে পাচারের পথে মনপুরায় সিমেন্ট-সার বোঝাই ট্রলার জব্দ, আটক ১
ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরা থেকে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া সিমেন্ট ও সার বোঝাই একটি ট্রলার জব্দ করেছে পুলিশ ও কোস্টগার্ডের যৌথ দল। এ সময় একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে ট্রলারের মালিকসহ আরও কয়েকজন অভিযানের সময় পালিয়ে যান।

আকিজ সিরামিকস এর আরো ৩ টি নতুন এক্সক্লুসিভ শোরুমের উদ্বোধন
দেশের শীর্ষস্থানীয় সিরামিক টাইলস ব্র্যান্ড আকিজ সিরামিকস নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও কুমিল্লায় আরও তিনটি নতুন এক্সক্লুসিভ শোরুম উদ্বোধন করেছে। গ্রাহকদের আরও কাছে পৌঁছানো এবং উন্নত সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এসব শোরুম চালু করা হয়েছে।

.jpg)







