

ভোলা সদর উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ডের বিপরীতে অবস্থিত প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারটি দীর্ঘদিন ধরে কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। তীব্র লোকবল সংকট, বছরের পর বছর সংস্কার না হওয়া অবকাঠামো এবং দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে দক্ষিণাঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই খামারের উৎপাদন কার্যক্রম প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
২০১১ সালে প্রায় আট কোটি টাকা ব্যয়ে দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার হিসেবে ভোলায় এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলে সরকার। শুরুতে এখান থেকে উন্নত জাতের হাঁসের বাচ্চা ও ডিম উৎপাদন করে স্বল্পমূল্যে সরবরাহ করা হতো। স্থানীয় খামারি ও সাধারণ মানুষ সহজেই এখান থেকে ডিম ও হাঁসের বাচ্চা সংগ্রহ করতে পারতেন। তবে সময়ের ব্যবধানে সেই কার্যক্রম একেবারেই মুখ থুবড়ে পড়েছে।
খামারটিতে আধুনিক হ্যাচারি, লেয়ার শেড, গ্রোয়ার শেড, ব্রুডার শেড, ডরমিটরি, অফিস ভবন, গুদামঘর ও পাম্প হাউসসহ প্রয়োজনীয় সব অবকাঠামো থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কোটি টাকা মূল্যের যন্ত্রপাতি বিকল হয়ে পড়েছে। লেয়ার, গ্রোয়ার ও ব্রুডার শেড মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার হাঁস পালনের সক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে সেখানে রয়েছে মাত্র ৫৫০টি হাঁস। হ্যাচিং মেশিন নষ্ট থাকায় কয়েক বছর ধরে হাঁসের বাচ্চা উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
সরকার নির্ধারিত দামে খামার থেকে প্রতি পিস হাঁসের ডিম ৯ টাকা এবং হাঁসের বাচ্চা ২০ টাকায় বিক্রির নিয়ম থাকলেও উৎপাদন না থাকায় স্থানীয় খামারিরা এসব সুবিধা পাচ্ছেন না। নিয়ম অনুযায়ী ২৪ মাস বয়স হলে একটি হাঁস ২০০ টাকায় বিক্রি করার সুযোগ থাকলেও সেটিও এখন কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ।
স্থানীয় খামারি রিপন মিয়া বলেন, “ভোলার খামার থেকে হাঁসের বাচ্চা পেলে পরিবহন খরচ অনেক কম হতো। এখন খুলনা থেকে আনতে হয়, এতে খরচ বেড়ে যাচ্ছে, লাভ কমে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, খামারটি চালু থাকলে এলাকার বহু বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতো।
আরেক খামারি মানিক মাঝি বলেন, শীতকালে বাইরের জেলা থেকে হাঁস আসার সঙ্গে নানা রোগও ভোলায় ঢুকে পড়ে। সরকারি হাঁস প্রজনন খামার চালু থাকলে রোগঝুঁকি অনেক কমতো, আমরা উপকৃত হতাম।
খামার সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এখানে মাত্র একজন ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী পরিচালক কর্মরত রয়েছেন। পোল্ট্রি ডেভেলপমেন্ট অফিসার, হিসাবরক্ষক, পোল্ট্রি টেকনিশিয়ান, অফিস সহকারী, ইলেকট্রিশিয়ান, নিরাপত্তাকর্মী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব পদই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। ফলে খামারের দৈনন্দিন কার্যক্রম আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে কোনোরকমে চালানো হচ্ছে।
আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে কর্মরত মো. মেহেদি হাসান বলেন, লোকবল কম থাকায় প্রয়োজন হলেও ছুটি পাওয়া যায় না। তিনজনের কাজ একজনকে করতে হয়।আরেক কর্মী মোহাম্মদ হোসেন বলেন, “সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা-১১টা পর্যন্ত কাজ করতে হয়। সব সময় আতঙ্কে থাকতে হয় এই বুঝি শেড ভেঙে পড়ল বা হাঁস বের হয়ে গেল।
এ বিষয়ে আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারের ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. জাহিদ হাসান বলেন, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও অবকাঠামোগত সংস্কার করা গেলে অল্প সময়ের মধ্যেই খামারটি আবার পূর্ণ সক্ষমতায় চালু করা সম্ভব।
দক্ষিণাঞ্চলে হাঁস পালন ও ডিম উৎপাদনের ব্যাপক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও ভোলার এই সরকারি খামারের দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা হতাশ করছে স্থানীয় খামারি ও সংশ্লিষ্টদের। দ্রুত লোকবল নিয়োগ, যন্ত্রপাতি সংস্কার এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খামারটি পুনরায় চালু হবে এমন প্রত্যাশাই এখন ভোলাবাসীর।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ইয়াবা সেবন ও ব্যবহারের অপরাধে মো. ফারুক নামে এক ব্যক্তির এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সাতক্ষীরার জেলার, তালা উপজেলার ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ১৩ জন ছাত্রীর বাল্যবিয়ে সম্পন্ন হওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।