

আসন্ন পহেলা বৈশাখ কে সামনে রেখে ‘নির্মল কর,মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে চলছে মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি। করোনা মহামারির চলাকালিন সময় কোন ঘটা করে পালন হয়নি বৈশাখের আয়োজন, তাই দুই বছর বিরতির পর এই আনন্দ উৎসবে জন্য রাতদিন কাজ করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, মঙ্গল শোভাযাত্রা বাঙালিকে নিয়ে যাবে সত্য ও সুন্দরের পথে।
নিয়ম মেনে চারুকলার শিক্ষার্থীদের আগ্রহ আর দায়িত্বে এখন চলছে মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি পর্ব। বাঙালি সংস্কৃতির নানা উপাদান এখানে শিল্পের ভাষায় হয়ে উঠছে রঙিন,যা কিছু সংশ্লিষ্ট বাঙালির সঙ্গে তারই যাত্রা এখানে সত্য আর সুন্দরের দিকে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, বাংলার শিল্প সংস্কৃতিকে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। এটা হচ্ছে প্রতীকী একটা আনন্দ মিছিল। এ আনন্দের মাধ্যমে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করা।
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা তৈরি করে দিচ্ছি এটা হচ্ছে আমাদের ভালো লাগার জায়গা। বিশ্ব স্বীকৃতি পাওয়ার পর এটা এখন সবার আবেদনের জায়গা। সেখানে সারাদেশের গুটিকয়েক প্রতিনিধি হয়ে আমরা যে এই কাজটা করতে পারছি এটা ভীষণ ভাগ্যের ব্যাপার।
আরেকজন বলেন শিক্ষার্থী বলেন, এবার চারটা প্রতীকী থাকছে। মাছ, পাখি, ট্যাপা পুতুলের আদলে তৈরি করা হচ্ছে একটা আর ঘোড়া থাকছে।মাটির সরায় তুলির আঁচড়,কাগজের পাখি, বাঘ, রাজা, রানি আরও কত কী? প্রতীক হয়ে, প্রতিবাদের ভাষা হয়ে এখন বাস্তব।
বৈশাখ এসে গেছে মনটা আসলে চারুকলাতেই পড়েছিল। বৈশাখ উৎসবকে কেন্দ্র করে পড়েছিল ওই টান থেকেই আসলে আসা।বাংলা থাকুক সমৃদ্ধির ধারায় সংস্কৃতিক আবহে।
বিগত বছরের সব কষ্ট, গ্লানি মুছে সামনে বছর সবার মুখে ফুটে উঠুক হাসি ও পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে আমাদের জীবনে আসুক বর্ণিল সুখ ও আনন্দ।



