
স্প্যানিশ সংবাদ সংস্থা ইএফই জানিয়েছে, মরক্কোর বুজনিকায় একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় লেকজা বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বেনস্লিমান প্রদেশই ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের সুযোগ পেতে যাচ্ছে।
বেনস্লিমান শহরটি কাসাব্লাঙ্কা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে। এই এলাকাতেই প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে বিশাল আকৃতির হাসান দ্বিতীয় স্টেডিয়াম। প্রস্তাবিত স্টেডিয়ামটিতে একসঙ্গে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার দর্শক বসে ম্যাচ দেখতে পারবেন। নির্মাণকাজ শেষ হলে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল-নির্দিষ্ট স্টেডিয়াম হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজন নিয়ে মরক্কোর পাশাপাশি স্পেনও শক্ত অবস্থানে রয়েছে। ফলে শেষ ম্যাচের ভেন্যু নিয়ে দুই দেশের মধ্যে প্রতিযোগিতা বেশ তীব্র। ফিফা এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেনি।
২০৩০ বিশ্বকাপ অবশ্য আয়োজনের দিক থেকে ইতিহাসের অন্যতম ব্যতিক্রমী আসর হতে যাচ্ছে। বিশ্বকাপের শতবর্ষ উপলক্ষে প্রথমবারের মতো তিন মহাদেশের ছয়টি দেশ যৌথভাবে টুর্নামেন্টটি আয়োজন করবে।
আসরের প্রথম তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়েতে। এরপর বিশ্বকাপের মূল পর্বের বাকি ম্যাচগুলো আয়োজন করবে মরক্কো, পর্তুগাল ও স্পেন।
ফাইনালের ভেন্যু নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত না এলেও মরক্কোর পক্ষ থেকে হাসান দ্বিতীয় স্টেডিয়ামকে সামনে রেখে জোরালো প্রস্তুতির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।




