

কয়েক মাসের মধ্যে পেঁয়াজের দাম ক্রেতাদের পকেটের কাঁপুনি ধরিয়েছে। ৪০ থেকে ৪৫ টাকার নিত্যপণ্যটি দাম বেড়ে এক পর্যায়ে ৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। এই দাম বৃদ্ধির পেছনে যৌক্তিক কোনো কারণ খুঁজে পায়নি ক্রেতারা।
শুধু পেঁয়াজই নয়, দাম বৃদ্ধির দৌড়ে এখনো বেড়েই চলছে চাল, ডাল, চিনি, ভোজ্যতেলসহ আরও কয়েকটি নিত্যপণ্যের দাম। অল্প দিনের ব্যবধানেই দফায় দফায় বৃদ্ধি পেয়েছে এসব পণ্যের দাম।
তবে আশার বাণী হচ্ছে- হিলি স্থলবন্দরে পাইকারি বাজারে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে কমেছে নিত্যপণ্যের পেঁয়াজের দাম। এখন ভারতীয় পেঁয়াজ কেজি প্রতি ২ টাকা কমে ১২ টাকায় এবং দেশীয় পেঁয়াজ তিন টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১৭ টাকা দরে।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ভারতের পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ার পর থেকে পেঁয়াজের দাম কমাতে শুরু করেছেন তারা। আর এতে স্বস্তি ফিরেছে ভোক্তাদের মাঝে।
মিশু নামের এক ক্রেতা বাজার করতে এসে বলেন, রমজানের আগে যেভাবে নিত্যপণ্যের দাম হু হু করে বৃদ্ধি পেয়েছিলো তাতে খুবই চিন্তায় ছিলাম। তবে আটা, চাল, চিনিসহ অন্যান্য বাজারে এখনো আগুন। কিন্তু পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমায় একটু স্বস্তি পাচ্ছি।
এ সময় তিনি আরও বলেন, সরকারের উচিত খুব দ্রুত নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য সাধারণ মানুষের নাগালে নিয়ে আসা।
এ প্রসঙ্গে হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর-রশিদ জানান, আমরা বেশি বেশি করে ভারতের কাছ থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করেছি যাতে ভোক্তাদের কাছে অল্প দামে পৌছে দিতে পারি। তবে আপাতত আর পেয়াজের দাম বাড়ছেনা বলে জানান তিনি।
হিলি কাস্টমস কতৃপক্ষ পেঁয়াজ আমদানির বিষয়ে জানায়, এ পর্যন্ত ভারত থেকে সর্বমোট ১৬৮ মেট্রিকটন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। সামনে আরো আমদানি করার পরিকল্পনা করছেন বলেও এ সময় জানানো হয়েছে।


