
করোনা মহামারির দুই বছর পর আবারোও নতুন বার্তা নিয়ে বাঙালির প্রাণের উৎসব 'পহেলা বৈশাখ' আজ বাঙালির দুয়ারে হাজির। বৈশাখ মানেই পুরনোকে ফেলে নতুন করে শুরু করা। বৈশাখ মানেই বসন্তে শিমুলের ডালে ডালে লালের আভাস মুছতে না মুছতেই বাঙালির জীবনে প্রলয়বাতাসে উড়ে আসা। বৈশাখ মানেই ঝড়, বৈশাখ মানেই প্রকৃতির রুদ্র রূপ। তবুও বাঙালি ছেলে, বুড়ো সব দলবেঁধে বেরিয়ে পড়ে বৈশাখকে স্বাগত জানাতে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৬টার পর বাদ্যযন্ত্র নিয়ে শুরু এবারের বর্ষবরণের অনুষ্ঠান। তারপর একযোগে সবার কণ্ঠে ‘মন জাগ মঙ্গললোকে’ গানের মধ্য দিয়ে নতুন বঙ্গাব্দ ১৪২৯ -কে স্বাগত জানানো হয়।
এ সময় হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে ছায়ানটের ৮৫ জন শিল্পী বর্ষবরণ উৎসবে অংশ নেন। তারা পঞ্চকবির গান, লোকগান, ব্রতচারীদের গান দিয়ে মাতিয়ে তুলেন রমনার বটমূল এলাকা।
পহেলা বৈশাখের উপলক্ষে এবার মোট গেটের সংখ্যা হলো ৮ টি। তবে প্রবেশপথ হলো তিনটি। সেগুলো হচ্ছে-অরুনোদয়, রমনা রেস্তোরাঁ, অস্তাচল। বাহির হওয়ার জন্য শুধুমাত্র বৈশাখী ও উত্তরায়ন ব্যবহার করা যাবে। এছাড়াও, প্রবেশ এবং বের হওয়ার তিনটি পথ হলো- শ্যামলিমা, স্টার গেট এবং নতুন গেট।
এছাড়া, বর্ষবরণে আগতদের জন্য থাকছে- জরুরি চিকিৎসা সেবা, নারী, বৃদ্ধা, শিশুদের জন্য রয়েছে বিশ্রামাগারের সুযোগ। তবে রমজান উপলক্ষ্যে নেই কোনো খাবারের দোকান।
নববর্ষকে ঘিরে এবার কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রমনাসহ পুরো এলাকা আনা হয়েছে সিসিটিভির আওতায়। পুলিশ, র্যাবের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও নিয়োজিত আছে বিশেষ নিরাপত্তা টিম।



