

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নে তাসফিয়া আক্তার জান্নাত (৪) হত্যা মামলার প্রধান আসামী মো. রিমন ফৌজদারি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) রাতে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম আসামির জবানবন্দী রেকর্ড করেন।
মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোঃ সবজেল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকালে রিমনসহ ৫ আসামিকে আদালতে আনা হয়। তাদের মধ্যে সোহেল উদ্দিন, সুজন, নাইমুল ইসলাম এবং আকবর হোসেনের ৭দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়।
পরে আদালত রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে দুপুরে প্রত্যেকে ৫দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে। এছাড়া প্রধান আসামি রিমন স্বীকারোক্তি দিতে রাজি হওইয়ার জন্য তার জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করা হয়।
তিনি আরও জানান, বিকালে রিমনকে বিচারকের খাস কামরায় ডাকা হয়। সেখানে তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। পরে, তাকে রাত সাড়ে ৮ টায় খাস কামরা থেকে বের করা হয় ্ও জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম পিপিএম বলেন, এজাহার নামায় ১নং আসামী মামুন উদ্দিন ওরফে রিমন (২৫),আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। জবানবন্দিতে বলে যে, এই মামলার আসামী বাদশা তার চাচা হয়। ভিকটিম পক্ষের লোকজনের সাথে বিবাদী পক্ষের মাটি কাটা নিয়ে বিরোধ চলে।
ঘটনার দিন মহিনদের বাড়ীর সামনে ১০/১২ জনে ভিকটিম পক্ষের লোকজনকে মারার জন্য জুয়েলের নিকট হতে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে অস্ত্র ভাড়া নেয়। বাদশা ও মহিনের নির্দেশে সে নিজেই শিশু তাসফিয়া আক্তার জান্নাত ও তার বাবাকে গুলি করে। পরবর্তীতে তাসফিয়া আক্তার জান্নাত মারা যায়।



