

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের সাথে নেপালের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাত করেন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির জ্বালানী, পানি সম্পদ ও সেচমন্ত্রী মিজ পুমপা ভূশাল। এ সময় দুদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে কথা হয়।
মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) এ সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিনিধিদল পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় পৌঁছালে তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান প্রতিমন্ত্রী। এ সময় উপ-মন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীমও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, নেপাল বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু রাষ্ট্র। নেপালের সাথে বাংলাদেশের গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের এ সম্পর্ক অটুট থাকবে। ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিকসহ সকল ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশ নদী মাতৃক দেশ পানির দেশ হলেও এর পানির উৎস ভারত ও নেপাল। ভারত ও নেপালে পানির রির্জাভার আছে যা আমাদের কৃষিকাজে পানি সেচ কাজে ব্যবহার হয়।
নেপালের মন্ত্রী মিজ পুমপা ভূশাল বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে সকল সেক্টরে যে উন্নয়ন করেছে যা সত্যিই প্রশংসনীয়। এ সময় মন্ত্রী নেপালে ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানান।
তিনি বলেন, নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের সাফল্য অনেক। নারী শিক্ষার হার বেড়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রশাসনেও তাদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো।
শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে কৃষিকাজে পানির সমস্যা হয়। শুকনো মৌসুমে পানি পেতে নেপালে বিশেষ জলাধার (রিজার্ভোয়া) নির্মাণে রাজি হয়েছে বাংলাদেশ, ভারত এবং নেপাল। রিজার্ভোয়া তৈরি করা গেলে নেপালের এই রিজার্ভোয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ উপকৃত হবে বলে জানান পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক।
প্রতিনিধদলে আরো ছিলেন নেপালের জ্বালানী,পানি সম্পদ ও সেচ মন্ত্রণালয়ের সচিব দেবেন্দ্র কার্কি, জাতীয় পরিকল্পা কমিশনের সদস্য সুরেন্দ্র লভ কর্ণ, পানি সম্পদ ও সেচ এর মহাপরিচালক সুশীল চন্দ্র আচার্য্যসহ অন্যান্যরা।


