
বাঙালি জাতীয়তাবাদের অন্যতম প্রবক্তা, অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬০ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের কাছে শেরেবাংলা (বাংলার বাঘ) নামে বেশ পরিচিত। ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় মারা যান উপমহাদেশের প্রখ্যাত এই রাজনীতিবিদ। বুধবার (২৭ এপ্রিল) এ উপলক্ষে আলাদা আলাদা বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধামন্ত্রী।
দিনের শুরুতেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেশ বরেণ্য এই রাজনীতিবিদের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বোধ রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ বলেছেন, তিনি ছিলেন রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দুরদর্শিতাসম্পন্ন অসাধারণ একজন ব্যক্তি। তিনি সদা সর্বদা আমাদের মাঝে চিরঞ্জীব হয়ে থাকবেন। প্রখ্যাত এই রাজনীতিবিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি।
প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, তিনি ছিলেন শোষণ ও বঞ্চনাহীন গণমানুষের নেতা। তিনি নিজেকে সর্বদা অন্যায়ের পক্ষে সোচ্চার রেখেছিলেন। এজন্য আগামী প্রজন্মের কাছে তিনি সব সময় অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় হয়ে থাকবেন। এ সময় কৃষক-শ্রমিক তথা মেহনতি মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তার অবদান গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে এ মহান নেতার রূহের মাগফেরাত কামনা করেন তিনি।
১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর ঝালকাঠির রাজাপুরের সাতুরিয়া গ্রামের মিঞা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন বাংলার প্রখ্যাত এই নেতা। তার রাজনৈতিক জীবনে তিনি ছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর,যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী, ও কলকাতা সিটি করপোরেশনের প্রথম মুসলিম মেয়র এবং আইনসভার সদস্য। ব্রিটিশদবধ সংগ্রামে তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব এবং ২১ দফা দাবিরও প্রণেতা ছিলেন বাংলার বাঘ শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।
১৯৬২ সালের এই দিনে ঢাকায় ইন্তেকাল করেন তিনি।



