
করোনার কারণে টানা ২ বছর বন্ধ থাকার পর এবার হাইকোর্ট প্রাঙ্গণের জাতীয় ঈদগাহ মাঠে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান জামাত উপলক্ষ্যে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে যাবতীয় প্রস্তুতির কাজ এখন প্রায় শেষের দিকে।
জাতীয় ঈদগাহ মাঠ ঘুরে দেখা যায়, ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য পুরো মাঠে বাঁশ দিয়ে সামিয়ানা টাঙানোর কাজ চলছে। দর্জিদের দেখা যায় সেলাই কাজে তারা ব্যস্ত রয়েছেন। এছাড়া সাউন্ড সিস্টেমের কাজও প্রায় শেষের দিকে। তবে একটু পর পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এসে টহল দিচ্ছেন।
অন্যান্য বছরগুলোর মত এবারও ঢাকা দক্ষিণ সিটির কাছ থেকে জাতীয় ঈদগাহের প্যান্ডেল নির্মাণের টেন্ডার পেয়েছেন ‘পিয়ারো সরদার অ্যান্ড সন্স’ এর মালিক মো. মোজাম্মেল হক।
মোজাম্মেল হক জানান, আমার কাজ শুধু প্যান্ডেল নির্মাণ করা। এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ। যদিও এখনো লাইটিং ও মাটিতে ত্রিপল বিছানো হয়নি। আশা করছি আগামী দু’দিনের মধ্যে লাইটিং ও মাটিতে ত্রিপল বিছানোর কাজ শেষ করতে পারবো।
এদিকে সার্বিক নিরাপত্তা প্রসঙ্গে রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার সাজ্জাদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, করোনার কারণে গত দুই বছর জাতীয় ঈদগাহ মাঠে জামাত হয়নি। তবে এবার ঈদের জামাত জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে আমরা এবার বেশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। মাঠের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর থেকে ঈদের নামাজ সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত আমরা কয়েক স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবো।
উল্লেখ্য, গত ১২ এপ্রিল সচিবালয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনে সরকারি কর্মসূচি নির্ধারণে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এক সভায় জানানো হয়, আবহাওয়া যদি ভালো থাকে তাহলে ঈদগাহ মাঠে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮ টায়। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ থাকলে সকাল ৯টায় বায়তুল মোকাররম মসজিদ প্রাঙ্গণে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
চাঁদ দেখার ভিত্তিতে আগামী ২ বা ৩ মে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।


