
মুসলমানদের অন্যতম পবিত্র উৎসব ঈদ। আর এই ঈদুল ফিতরের আমেজকে ভাগাভাগি করতে লাখো মানুষ ঘর ছাড়ছেন। রাজধানীর কমলাপুর, গাবতলী এবং মহাখালী বাস টার্মিনাল,সদরঘাট ঘুরে ঘরমুখো মানুষের প্রচণ্ড চাপ দেখা গেছে।
বৃহস্পতিবার অফিস শেষ করে শুক্রবার এবং শনিবারের পাশাপাশি ১ তারিখ মে দিবসের ছুটি থাকায় বন্ধ থাকবে সকল ধরণের সরকারি প্রতিষ্ঠান। যার ফলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেন লাখো ঘরমুখো মানুষ।
এতে রমজান মাসের শেষ জুম্মার দিন শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) ঢাকা শহরে দেখা গেছে ছুটির আমেজ। এবার ঈদের ছুটিটা যেন আগেভাগেই শুরু হয়ে গেছে। গত দুই বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে ঈদ করতে গ্রামে যেতে পারেন নি সাধারণ মানুষ। তাই এবার যে যার কর্মস্থল থেকে আগে ভাগে ছুুটি নিয়ে ঢাকা ছাড়ছেন। ফলে ঈদের তিনদিন আগেই অনেকটা ফাঁকা হয়ে গেছে ঢাকা শহর।
এ দিন শুধু ঢাকা শহরের বাস টার্মিনাল, রেলওয়ে স্টেশন ও লঞ্চ টার্মিনাল এলাকাগুলোতে ঘুরমুখো যাত্রী ও যানবাহনের চাপ দেখা গেছে। এছাড়া পুরো শহরের সড়কগুলোই ফাঁকা ছিল।
সুমন হোসেন একজন সরকারি কর্মকর্তা। গত দুই বছর করোনার ব্যাপক প্রভাব আর ঢাকা রেড জোন হওয়ায় নিজ পরিবারের সাথে ঈদ করতে বাড়ি ফেরেননি তিনি। কিন্তু এ বছর সবকিছু মোটামুটি স্বাভাবিক হওয়ায় নিজ পরিবারের সাথে ঈদ করতে আগে ভাগেই ঢাকা ছাড়ছেন।
বেসরকারি চাকরিজীবি রাইসুল হাসানের অফিসে ঈদের ছুটি শুরু ১ মার্চ থেকে। কিন্তু তিনি বৃহস্পতিবার অফিস করেই ছুটি নিয়েছেন। রাইসুল বলেন, মে দিবসের ছুটি আছে রোববার। আমার অফিসে সাপ্তাহিক ছুটি শনিবার। আজ অফিস করার কথা থাকলেও বাড়ি যাবো বলে আজকের দিন থেকেই ছুটি নিয়েছি। গত দুই বছর লকডাউনের জন্য গ্রামে ঈদ করতে যেতে পারি নি। তাই এবার ছুটির আমেজটা আমার কাছে অন্য রকম।


