

এবার ঢাকা শহরের ১৪৬৮টি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিতে হলে জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া অন্য কিছু সঙ্গে নিতে পারবেন না মুসল্লিরা।
রোববার (১ মে) ঈদগাহের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে এ কথা বলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতকে ঘিরে ঈদগাহ ময়দানে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে মুসল্লিরা ছাতা ও জায়নামাজ ছাড়া সঙ্গে কিছুই আনতে পারবেন না।
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, ঈদ জামাতে আসা প্রত্যেককে দেহ তল্লাশির পর আর্চওয়ে গেট দিয়ে ঈদগাহে ঢুকতে হবে। ঈদগাহকে ঘিরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ঈদ জামাতের আগে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সুইপিং করবে। পুরো মাঠ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। আমাদের টিম সার্বক্ষণিক ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করবে।
ঢাকার পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, ঈদ জামাতে কোন ধরণের জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নেই। তারপরও সব বিষয় মাথায় রেখেই আমরা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছি।
শফিকুল ইসলাম বলেন, এবারের ঈদে ঢাকায় ছোট বড় ঈদগাহ এবং মসজিদ মিলে মোট ১৪৬৮টি স্থানে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সবকটিতেই প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে ডিএমপি।
উল্লেখ্য, এবার জাতীয় ঈদগাহ মাঠে একসঙ্গে ৩৫ হাজার মুসল্লি ঈদের জামাতে অংশ নেবেন।


