

এবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ি এলাকায় ৩১ হাজার ৬২০ লিটার সয়াবিন ও পাম তেল মজুদ অবস্থায় পেয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিকার অধিদপ্তর।
সোমবার (৯ মে) ভোক্তা অধিকার, র্যাব-৩ ও এনএসআই যৌথভাবে এই দুই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় উত্তর যাত্রাবাড়ি ফুলজান টাওয়ার সংলগ্ন অদ্বিতি ট্রেডিংয়ে ৩২ ড্রাম সয়াবিন তেল ও ৬২ ড্রাম পামওয়েল মজুদ অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রতি ড্রামে ২০৪ লিটার করে তেল থাকে। সে হিসেবে শুধু এই এক প্রতিষ্ঠানেই ১৯ হাজার ১৭৬ লিটার তেল মজুদ অবস্থায় পাওয়া যায়।
অবৈধভাবে সয়াবিন তেল মজুদ, সরকার নির্ধারিত দামের থেকে বেশি দামে বিক্রি ও তেল কেনার কাগজপত্র দেখাতে না পারায় অদ্বিতি ট্রেডিংকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া অভিযানে কাজলা দীঘির পাড় এলাকার সিফাত ট্রেডিংয়ে ৩৬ ড্রাম অর্থাৎ ৭ হাজার ৩৪৪ লিটার তেল মজুদ অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
একই এলাকার মেসার্স মিন্টু স্টোরে ১৮ ড্রাম অর্থাৎ ৩ হাজার ৬৭২ লিটার সয়াবিন তেল এবং ৭ ড্রাম অর্থাৎ ১ হাজার ৪২৮ লিটার পাম তেল মজুদ অবস্থায় পাওয়া যায়। এই প্রতিষ্ঠানটিকেও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন অভিযানরতরা।
তাছাড়াও ভোক্তা অধিদপ্তরের একক অভিযানে প্রকাশ্যে মূল্য তালিকা না থাকায় মালিবাগ কাঁচাবাজারে তাহের গোস্ত বিতানকে ৫০০ টাকা, পূর্বের দামে কেনা তেল নতুন মূল্যে বিক্রি করায় ভূইয়া স্টোরকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল বলেন, কয়েকদিন থেকে ভোক্তারা চাহিদা অনুযায়ী ঠিকমতো ভোজ্য তেল কিনতে পারেনি। দোকানিরাও বলেছেন সরবরাহ কম। কিন্তু অভিযানে দেখা যাচ্ছে অনেক ব্যবসায়ী তেল নতুন দামে বিক্রির জন্য মজুদ করে রেখেছে। বিষয়টি তদারকির জন্য আমরা র্যাব-৩ এবং এনএসআইয়ের সহায়তায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা এবং সতর্ক করেছি। সেই সাথে বোতলে লেখা দাম অনুযায়ী মূল্যে দ্রব্য বিক্রির জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।



