
পিতা আমির হামজাকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালযয়ের অধীনে স্বাধীনতা পুরষ্কার পাইয়ে দেওয়ার জন্য মিথ্যা তথ্য দিয়ে আবেদন করায় বিভাগীয় মামলার মুখোমুখি হতে পারেন বর্তমান খুলনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী ও সাবেক উপসচিব মো. আসাদুজ্জামান।
মঙ্গলবার (১০ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা ও তদন্ত অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এ ধরণের ইঙ্গিত প্রদান করেন।
তিনি বলেন,‘আসাদুজ্জামানের কর্মকাণ্ডের বিপরীতে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। আরও কিছু তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, উপসচিব আসাদুজ্জামানের নামে বিভাগীয়ভাবে মামলা করতে খসড়া অভিযোগনামা ও অভিযোগের বিবরণী দ্রুত সময়ের মধ্যে পাঠাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ (এপিডি) অনুবিভাগকে চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে। এডিবি অনুবিভাগ তাদের রিপোর্ট পাঠালে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হবে।
১৫ মার্চ স্বাধীনতা পুরষ্কার প্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশিত হলে সেখানে খ্যাতিমান সকল লেখক এবং সাহিত্যিকদের মধ্যে মরহুম আমির হামজার নাম উঠে আসায় শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। তাকে ‘সাহিত্য‘বিভাগ থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী মরহুম আমির হামজা একজন খুনের দ্বায়ে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ১৯৯১ সালের আট বছর জেল খাটার পর মাগুরার এক মন্ত্রীর সহায়তায় বেরিয়ে আসেন আমির হামজা।
আমির হামজাকে স্বাধীনতা পুরষ্কার দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ। তার নিকট হতে কারণ জানতে চাইলে আসাদুজ্জামানের ভুল তথ্য দেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে।


