

কক্সবাজারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পৌর মেয়র মজিবুর রহমানকে প্রায় চার ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রোববার (২০ মার্চ) দুপুর ১টা থেকে বিকাল পর্যন্ত দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সংস্থাটির উপ-পরিচালক মো. আলী আকবর । পরে বিকাল ৪ টা ৪৪ মিনিটে দুদক কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান মেয়র মজিবুর রহমান।
কক্সবাজার পৌরবাসীর জন্য নির্মাণাধীন ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে দুর্নীতিসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে মেয়র মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে।
এছাড়া কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টের সরকারি খাস জমির ওপর ৬০টি দোকান ঘর ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কলাতলীর সরকারি খাস জমিতে কাঁচা ভবন নির্মাণ, ব্যক্তি মালিকানাধীন ১০টি হোটেল-রিসোর্ট দখল ও অর্থ উত্তোলন, অনিয়মের মাধ্যমে কক্সবাজার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণে অর্থ উত্তোলন, ২৬টি মেগা প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণে উৎকোচ গ্রহণ, উৎকোচ গ্রহণপূর্বক কক্সবাজারে দুটি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নের নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্য এবং কক্সবাজার পৌরসভার ৪৪টি উন্নয়নমূলক কাজ থেকে ১০ শতাংশ সুদ গ্রহণসহ সরকারি অর্থ সম্পত্তি আত্মসাতেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কমিশন থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকরা কক্সবাজার পৌর মেয়রকে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়। কিন্তু তিনি কোন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তাড়াহুড়ো করে বের হয়ে ব্যক্তিগত গাড়িতে উঠে চলে যান।
দুদকের অপসারিত উপ-সহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিন কক্সবাজারের ভূমি অধিগ্রহণের অনিয়মের বিষয়ে যে দীর্ঘ অনুসন্ধান করেছেন সেখানে শতাধিক অভিযুক্তের মধ্যে কক্সবাজারের পৌর মেয়র মজিবুর রহমানের তথ্য উঠে আসে।



