

আগামীকাল ৫৩তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করতে যাচ্ছে বাঙালি জাতি। পুরো জাতি এদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান লাখো শহীদের।৫৩তম স্বাধীনতা দিবসে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। দিবস উদযাপন উপলক্ষে পুরো সৌধ এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করে যাচ্ছে গণপূর্ত বিভাগ। সবুজ বাগান আর বাহারি ফুলে অপরূপ হয়ে উঠেছে স্মৃতিসৌধের নৈসর্গিক পরিবেশ। রাতের বেলার বর্ণিল আলোকসজ্জা জানিয়ে দিচ্ছে স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রস্তুতির কথা।এদিকে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা ঘিরে গত ১২ মার্চ থেকে কুচকাওয়াজ ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করে যাচ্ছেন সশস্ত্র তিন বাহিনীর সদস্যরা।গণপূর্ত বিভাগের সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা দিবস ঘিরে এক মাস ধরেই আমরা স্মৃতিসৌধ এলাকায় কাজ করছি। এ জন্য গত ১২ মার্চ থেকে সৌধ এলাকায় সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত করা হয়েছে।’তিনি জানান, ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাবেন। এ ছাড়া স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, কূটনৈতিক, রাজনৈতিক ও সরকারি কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাবেন।এরপর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে সৌধ এলাকা।এদিকে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান ঘিরে সৌধ ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে ঢাকা জেলা পুলিশ। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সিসিটিভির পাশাপাশি বসানো হয়েছে অস্থায়ী ওয়াচ টাওয়ার।ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘এ দিবস ঘিরে এখানে চার স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য শুধু স্মৃতিসৌধ নয়, সাভার ও আশুলিয়া এলাকা আমরা সিসিটিভির আওতায় রেখেছি। এর বাইরে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। এ ছাড়া স্মৃতিসৌধের আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের নতুন করে কাউকে বাড়িতে আশ্রয় দিতে নিষেধ করা হয়েছে। আত্মীয়স্বজন আসার ক্ষেত্রেও নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।


