জাতীয়


প্রতিটি উপজেলায় মসজিদ নির্মাণ করে ইসলাম ধর্ম প্রচারে সুযোগ করে দেবো: প্রধানমন্ত্রী


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:১৭ এপ্রিল ২০২৩, ০২:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার

প্রতিটি উপজেলায় মসজিদ নির্মাণ করে ইসলাম ধর্ম প্রচারে সুযোগ করে দেবো: প্রধানমন্ত্রী
প্রতিটি উপজেলায় মসজিদ নির্মাণ করে ইসলাম ধর্ম প্রচারে সুযোগ করে দেবো, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বললেন, আজকে আমরা ৫০টি মসজিদ উদ্বোধনের জন্য সমবেত হয়েছি, রমজান মাসে উদ্বোধন করতে পেরেছি, এজন্য সকলকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে কিছু দোয়া করতে বলব, আমরা যেন আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি।

সোমবার (১৭ এপ্রিল) সকালে গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি সংযুক্ত হয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও মডেল মসজিদ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। আরও বলেন, মাঝে মাঝে আমাদের কোমলমতি ছেলেদের বিভ্রান্তি পথে নিয়ে যাওয়া হয়। তারা যেন জঙ্গিবাদের সাথে সম্পৃক্ত না হয়। সেজন্য তাদের বুঝাতে হবে যে ইসলাম ধর্ম শান্তির ধর্ম। মানুষ খুন করলে কখনও বেহেস্তে যাওয়া যায় না, খুন করলে দোজখেই যেতে হয়, এ বিষয়টা মানুষকে সচেতন করতে হবে। মসজিদের ইমাম, আলেম, খতিবদের সাধারণ মানুষ শ্রদ্ধার চোখে দেখে, আপনাদের কথার গুরুত্ব রয়েছে।

সরকার প্রধান বলেন, মাদক, নারীর প্রতি সহিংসতা, জঙ্গিবাদ, অহেতুক মিথ্যা কথা বলে গুজব ছড়ানো, গৃহকর্মীদের প্রতি অমানবিক আচরণ, দুর্নীতি ইত্যাদির বিষয়ে মসজিদের খুতবা দেওয়ার সময় যদি আপনারা বেশি করে বোঝান তাহলে কিন্তু মানুষ সেটা গ্রহণ করে। বিশেষ করে জুমার দিন যে খুতবা দেওয়া হয় তখন ভালোভাবে তুলে ধরা দরকার।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ধর্মের প্রতি অত্যন্ত নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপরই তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। ইসলাম ধর্মের বাণী যেন আমার দেশের মানুষ সঠিকভাবে জানতে পারে সেই ব্যবস্থা তিনি করেছিলেন।

ধর্ম প্রচার প্রসার, ইসলামিক শিক্ষার মান আরও উন্নত হয়, সেই ব্যবস্থা আওয়ামী লীগ সরকার নিয়েছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষাকে অনেকে অবহেলার চোখে দেখতো কিন্তু এই উপমহাদেশে সর্বপ্রথম মাদ্রাসা শিক্ষার মাধ্যমেই শিক্ষা ব্যবস্থা শুরু হয়, কাজেই তাকে আমরা গুরুত্ব দিয়েছি। আমাদের জাতীয় শিক্ষা নীতিমালাতেও আমরা ধর্মীয় শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছি। এ ছাড়া মসজিদ ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমও আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম শুরু করে। 

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে। কে বেহেস্তে যাবে, কে দোযখে যাবে তা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সিদ্ধান্ত নিবেন। আল্লাহর ওপর সে ভরসা রেখে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনা করি। সকলের সমান অধিকার রয়েছে সেটাই আমরা বিশ্বাস করি। আমাদের পবিত্র ধর্মকে যেন অন্যভাবে কলুষিত করতে না পারে, সেদিকে আমাদের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের নজর রাখতে হবে।

এদিন মডেল মসজিদ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান। গণভবন প্রান্তে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।

সম্পর্কিত

আওয়ামী লীগ

জনপ্রিয়


জাতীয় থেকে আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া। রোববার বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

শপথের প্রয়োজন নেই, ‘হ্যাঁ’ অটোমেটিক কার্যকর হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি

পানি সম্পদ মন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, সংসদ নির্বাচন ও শপথ সম্পন্ন হয়েছে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় এ বিষয়ে আলাদা কোনো শপথের প্রয়োজন নেই; এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে।

মহান শহীদ দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জনস্রোত

ভোরের আলো ফুটতেই রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ফুলে ফুলে ভরে ওঠে। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল নামে সেখানে।

তেজগাঁও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রথম কর্মদিবস তারেক রহমানের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করেছেন। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে তিনি কার্যালয়ে পৌঁছালে মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন তাকে স্বাগত জানান।