বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক ‘কৌশলগত অংশীদারত্বে’ পৌঁছেছে: প্রধানমন্ত্রী
হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া


বাংলাদেশ-জাপান বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ‘ব্যাপক অংশীদারত্ব’ থেকে সফলভাবে ‘কৌশলগত অংশীদারত্বে’ পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেছেন। বুধবার (২৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিসিদার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ৮টি সমঝোতা স্মারক চুক্তি হয়। বৈঠক ও চুক্তি শেষে যৌথ বিবৃতি প্রদানের পর এসব কথা বলেন তিনি।শেখ হাসিনা বলেন, প্রধানমন্ত্রী কিসিদা এবং আমি আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আদ্যোপান্ত আলোচনা করেছি। আমরা খুব খুশি, আমরা বাংলাদেশ-জাপান বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পকর্কে ‘ব্যাপক অংশীদারত্ব’ থেকে ‘কৌশলগত অংশীদারত্বে’ পৌঁছাতে পেরেছি। খবর বাসসের।সরকার প্রধান আরও বলেন, আজ, প্রধানমন্ত্রী কিসিদা এবং আমি ‘কৌশলগত অংশীদারত্বের’ ওপর যৌথ বিবৃতি প্রদান করেছি। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের দুই দেশের জনগণ ও সরকারের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার বোঝাপড়া, বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা সামনের দিনগুলোতে আরও জোরদার হবে।জাপান বাংলাদেশের জনগণের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে আছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, যে কয়েকটি দেশ ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে দ্রুত স্বীকৃতি দিয়েছিল জাপান তাদের মধ্যে একটি। ১৯৭৩ সালের অক্টোবরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক জাপান সফরের মাধ্যমে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছেন।দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে উভয় পক্ষ রোহিঙ্গা ইস্যুর পাশাপাশি মহেশখালী-মাতারবাড়ী সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগ (এমআইডিআই) এবং বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট (বিগ-বি) অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।এ বছরই ঢাকা-নারিতা সরাসরি বিমান চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এ ঘোষণা করতে পেরে আমরা খুশি। আমাদের বৃহত্তম উন্নয়ন অংশীদার হওয়ায় জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা জাপানের সঙ্গে আগামী দিনগুলোতে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি সম্পন্ন করার অপেক্ষায় আছি।



