অনেক শতাব্দী ধরে বাংলাদেশ বিভিন্ন সামুদ্রিক কার্যকলাপের প্রাণকেন্দ্র: প্রধানমন্ত্রী
হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া


একটি উপকূলীয় রাষ্ট্র হিসেবে বহু শতাব্দী ধরে বাংলাদেশ বিভিন্ন সামুদ্রিক কার্যকলাপের প্রাণকেন্দ্র বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বললেন, বাংলাদেশ সমুদ্র বিষয়ক অনেক আঞ্চলিক প্লাটফর্মে সক্রিয় রয়েছে। বাংলাদেশ বর্তমানে ইন্ডিয়ান ওশেন রিম অ্যাসোসিয়েশন ও কাউন্সিল অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল সিবেড অ্যাথোরিটির সভাপতি।শুক্রবার (১২ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীতে আয়োজিত ষষ্ঠ ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনের (আইওসি) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আরও বলেন, সাগর-মহাসাগর দিয়ে বিশ্ব বাণিজ্যের ৯০ শতাংশ ও তেল পরিবহনের ৬০ শতাংশ পরিচালিত হচ্ছে। সমুদ্রপথে প্রকৃত বাণিজ্য বিগত ১৫ বছরে তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বব্যাপী টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সামুদ্রিক যোগাযোগ ও বাণিজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু এই বিপুল সম্ভাবনা এখনো অনেকটাই অব্যবহৃত রয়ে গেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় ও আফ্রিকার অঞ্চলসমূহে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও কৌশলগত উল্লেখযোগ্য গুরুত্ব রয়েছে। বর্তমানে বৈশ্বিক জনসংখ্যার ৬৪ শতাংশ এ অঞ্চলে বাস করে এবং জিডিপিতে এ অঞ্চলের অবদান ৬০ শতাংশ। বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও, এ অঞ্চলটি নানাবিধ প্রতিকূলতার মুখোমুখি হচ্ছে। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শান্তি এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য। এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে অংশীদারিত্ব এবং সহযোগিতা বৃদ্ধি করা আবশ্যক।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার জন্য সর্বদা সামুদ্রিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, একজন দূরদর্শী নেতা হিসেবে ১৯৭৪ সালে তিনি বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারণ এবং এ সীমার মধ্যে সামুদ্রিক সম্পদ অনুসন্ধানসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আইন প্রণয়ন করেন। যা ‘সমুদ্র আইন সম্পর্কিত জাতিসংঘ কনভেনশন, ১৯৮২’ ঘোষণার আট বছর আগে কার্যকর করা হয়েছিল, যখন বিশ্ব সম্প্রদায়ের এ বিষয়ে সীমিত ধারণা ছিল।



