

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোনো ব্যক্তি যেন খাদ্যের অভাবের শিকার না হয়, তা আমরা গুরুত্বসহকারে নিশ্চিত করেছি। শুক্রবার (২১ জুলাই) গ্লোবাল ক্রাইসিস রেসপন্স গ্রুপে (জিসিআরজি) ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে বক্তৃতাকালে এ কথা বলেন তিনি।কঠিন সময়ে জনগণের সহায়তায় তার সরকারের কিছু পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। বলেন, এতে আমাদের অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর কিছু লক্ষণ প্রকাশ করে। যা আমাদের স্বস্তির অনুভূতি দেয়।সরকার প্রধান বলেন, আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে কিছু কঠিন আর্থিক ও নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এছাড়া আমাদের অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসদ্রব্য আমদানি সীমিত করতে হয়, জ্বালানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভর্তুকি প্রত্যাহার করতে হয়, সরকারি খাতে সামগ্রিক ব্যয় হ্রাস করতে হয়, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে আইএমএফের কাছ থেকে ৪.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ প্যাকেজ নিয়ে আলোচনা করতে হয়, মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে রাখতে কঠোর পরিশ্রম করতে হয় এবং আমাদের জনগণকে কোনো জমি অনাবাদি জমি না রেখে খাদ্য উৎপাদনে উৎসাহিত করতে হয়।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দারিদ্র্য ও বৈষম্য তীব্রভাবে বাড়ছে এবং দরিদ্র দেশগুলোর ঋণের বোঝা বেড়ে যাচ্ছে। এসব সমস্যা এবং অন্যান্য ধাক্কা বিশ্বজুড়ে খাদ্য, শক্তি ও অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়িয়েছে, যার ফলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার অগ্রগতিতে বিলম্ব হচ্ছে।বাংলাদেশ জ্বালানি ও খাদ্য আমদানিকারক দেশ হিসেবে ক্রমবর্ধমান আমদানি ব্যয়, মূল্যস্ফীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের চাপে ভুগছে বলেও এ সময় উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন।


