

কুমিল্লার তামজিদ পাটোয়ারীর (২৯) পরিকল্পনা করেছিলেন ডেনমার্ক যাবেন। সেখানে গিয়ে রেস্টুরেন্ট খুলবেন। এজন্য দরকার ছিল দেড় কোটি টাকা। প্রস্তুতিও প্রায়ই সম্পন্ন হয়েছিল। মাদক ব্যবসা করে আয়ও করেছিলেন দেড় কোটি টাকা।তার মধ্যে ৭৫ লাখ হুন্ডি করে ভারতে পাঠিয়েও দেয়া হয়েছে। কিন্তু ডেনমার্ক যাওয়া হলো না তার। সে ও তার সহযোগী মনিবুর রহমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) জালে ধরা পড়েছে। এরপর জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে এসব তথ্য।ডিএনসি বলছে, কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে টাপেন্টাডল ট্যাবলেট দেশে আনতো চক্রটি। পরে ছদ্মনামে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে এই ট্যাবলেট ঢাকায় আনা হতো, আর ঢাকায় হাজারীবাগের নিজের বাসায় রাখতেন। সেখান থেকে আবারও কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তা ছড়িয়ে দিতো।চলতি অক্টোবরেই ঢাকার হাজারীবাগের হাজী আফছার উদ্দিন সড়কের একটি বাসা থেকে এই দুজনকে গ্রেপ্তার করেন ডিএনসির কর্মকর্তারা। অভিযানে তাদের কাছ থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকাও উদ্ধার করা হয়।ডিএনসির কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ব্যথানাশক হিসেবে টাপেন্টাডল ট্যাবলেট ভারতে ব্যবহৃত হয়। তবে বাংলাদেশে এটি ‘খ’ শ্রেণির মাদক। ২০২০ সালে এই ট্যাবলেটকে মাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। দেশে ইয়াবা ট্যাবলেটের বিকল্প হিসেবে এই মাদক ব্যবহার করছিল মাদকসেবীরা।গ্রেপ্তারের পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন তামজীদ ও মনিবুর। তাতে বলেছেন, ভারতের একজন নাগরিকের মাধ্যমে দেশটি থেকে এই ট্যাবলেট আনা হতো। পরে ক্রেতাদের চাহিদামতো দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাতেন।



