

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্টভাবে বললেন, একটা কথাই বলবো, নির্বাচন হবে এবং যথাসময়েই হবে। কে চোখ রাঙালো আর কে চোখ বাঁকালো, তা নিয়ে আমরা পরোয়া করি না।মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে যোগদান উপলক্ষ্যে সম্প্রতি বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে তিনদিনের সরকারি সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধানমন্ত্রী।মঙ্গলবার পিটার হাস নির্বাচন কমিশনে গিয়ে সংলাপের বিষয়ে কথা বলেছেন, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কী বলতে চান— তা প্রশ্নোত্তর পর্বে জানতে চান একুশে টেলিভিশনের (ইটিভি) বার্তা প্রধান রাশেদ চৌধুরী।জবাবে সরকারপ্রধান বলেন, কার সঙ্গে সংলাপ করতে হবে? ট্রাম্প সাহেবের সঙ্গে কি বাইডেন সাহেব সংলাপ করছে? যেদিন বাইডেন-ট্রাম্প সংলাপ করবে সেদিন আমরাও করবো। খুনীদের সাথে কীভাবে সংলাপ করবো। এ ধরনের কথা বলে কীভাবে? আমাদের তো মেরেছেই, পুলিশকেও পিটিয়ে মারলো। তাদের সব কর্মকাণ্ড রেকর্ড করা আছে।তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সে (পিটার হাস) বসে ডিনার খাক, সে সংলাপ করুক। আমাদের স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। এটা বাংলাদেশের মানুষও চাইবে না। বাংলাদেশের মানুষ বিএনপি-জামায়াতকে ঘৃণা করে।গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির সমাবেশ ঘিরে রাজনৈতিক সহিংসতার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের হামলা, আর বিএনপি-জামায়াতের হামলার মধ্যে কোনো তফাৎ দেখি না। গাজায় হাসপাতালে যেমন ইসরায়েল হামলা করেছে, তেমনি এখানেও ওরা পুলিশ হাসপাতালে হামলা করেছে। মনে হচ্ছে, ইসরায়েল আর তাদের মধ্যে ভালো একটা সমঝোতা রয়েছে। ঠিক একইভাবে ওখানে শিশু-নারী হত্যা, এখানে পুলিশ-মানুষকে হত্যা করছে। আমি কোনো তফাৎ দেখি না।সংবাদ সম্মেলনে উঠে আসে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের বিষয়টিও। এ বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন, যে কারখানা দিয়ে রুটি-রুজি আসে, সেই কারখানা ধ্বংস করলে চাকরিটা থাকবে কোথায়? সবার তো গ্রামে ফিরে যেতে হবে। এটা তো বাস্তবতা। মজুরিবৃদ্ধির বিষয়টি আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে বলেও এ সময় উল্লেখ করেন তিনি।


