

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের বাকি আর এক সপ্তাহ। তার আগেই ৫ আসনে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় পার্টির ৩ প্রার্থী। এরমধ্যে দুই প্রার্থী দুইটি করে আসনে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন।রোববার (৩১ ডিসেম্বর) গাজীপুরের দুটি আসন, বরিশালের দুটি এবং বরগুনার একটি আসনে লাঙ্গলের প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের মাঠ থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন।এবারের ভোটে ২৬টি আসনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা হয় জাতীয় পার্টির। সেসব আসনে নেই নৌকার প্রার্থী। তবে, জাতীয় পার্টির প্রার্থী রয়েছে ২৮৬ আসনে। কিন্তু আওয়ামী লীগের ছেড়ে দেয়া আসন ছাড়া বাকিগুলোতে তেমন আলোচনায় নেই লাঙ্গলের প্রার্থীরা। এমন পরিস্থিতিতেই ভোটের সপ্তাহখানেক আগে দলটির ৩ প্রার্থী সরে যাওয়ার ঘোষণা দিলেন।গাজীপুর-১ ও ৫ আসন থেকে লাঙ্গল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন সাবেক স্বাস্থ্য সচিব এম এম নিয়াজ উদ্দিন। রোববার তিনি ঘোষণা দিয়ে প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়ান।সাবেক এই আমলা গত মে মাসে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে নির্বাচনেও জাতীয় পার্টি থেকে মেয়র নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে ভোটের মাঠে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি।যারা সরে দাঁড়ালেন, তারা হলেন সাবেক স্বাস্থ্য সচিব এম এম নিয়াজ উদ্দিন, প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন তাপস ও খলিলুর রহমান।তাদের মধ্যে এম এম নিয়াজ উদ্দিন ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন। এবার গাজীপুর-১ ও ৫ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। সাবেক সচিব এম এম নিয়াজ উদ্দিন। তবে শুরু থেকেই তিনি ভোটের মাঠে তেমন সরব ছিলেন না। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন তাপস বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) ও বরিশাল-৫ (সদর) আসনে লাঙ্গলের প্রার্থী ছিলেন। তিনিও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়ান। তবে নির্বাচনকে 'প্রহসনের' বলে দাবি করেছেন তিনি। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা।এছাড়া, বরগুনা-১ (আমতলী-তালতলী) আসনের লাঙ্গলের প্রার্থী খলিলুর রহমান ভোটে মানুষের আগ্রহ নেই, এমন কারণ দেখিয়ে ভোট থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।


