

কক্সবাজারে প্রায় ছয় মাস আগে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ (৪৮)। এরপর থেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিল উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবিরে থাকা তার পরিবার। জীবন বাঁচাতে বিভিন্ন সংস্থার কাছে বিদেশে আশ্রয়ের আবেদনও করেছিলেন। অবশেষে আন্তর্জাতিক দুইটি সংস্থার সহযোগিতায় বাংলাদেশ ছেড়ে কানাডায় পাড়ি জমিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) রাতে তারা কানাডার উদ্দেশে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। রাত ১১টায় টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট তাদের নিয়ে কানাডার উদ্দেশে উড়ে যায় ।
মুহিবুল্লাহর পরিবারের মোট ১১ জন সদস্য এই ফ্লাইটে ছিলেন বলে জানিয়েছে তার হাতে গড়া সংগঠন 'আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ)'। এর মধ্যে ছিলেন- মুহিবুল্লাহর স্ত্রী নাসিমা খাতুন, ৯ সন্তান ও জামাতা।
সূত্র থেকে জানা যায়, কানাডায় পাড়ি জমাতে মুহিবুল্লাহর পরিবারকে সহযোগিতা করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। তাদেরকে শরণার্থীর মর্যাদা দেবে কানাডা সরকার।
গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ এর ডি-৮ ব্লকে নিনজ অফিসে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন মুহিবুল্লাহ। তিনি ‘আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসে’র চেয়ারম্যান ছিলেন এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে সক্রিয় ছিলেন। এ জন্য তাকে মিয়ানমারের সশস্ত্র সংগঠন আরসার (আরাকান স্যালভেশন আর্মি) সদস্যরা হত্যা করেছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।



