বাংলাদেশ
পত্রিকা: সংবিধানে ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা

পত্রিকা
ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকার আজকের শিরোনামগুলোতে উঠে এসেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, সংবিধান সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি, জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ, জ্বালানি সরবরাহ ও অর্থনীতি-সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিচে আজকের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পত্রিকার প্রধান সংবাদ তুলে ধরা হলো—
বণিক বার্তা: সংবিধানে ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, আগামী নির্বাচন থেকে কার্যকর হতে পারে

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। ৭৪ পৃষ্ঠার এই রায় লিখেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। রায়ে সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের আগের রায়কে ত্রুটিপূর্ণ ও কলঙ্কজনক উল্লেখ করে তা বাতিল করা হয়েছে।
রায়ে বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশে পরিণত হয়েছে। এছাড়া রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
আইনজীবীরা বলছেন, এই রায়ের ফলে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান আবার সংবিধানে ফিরে এসেছে এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকেই এটি কার্যকর হতে পারে। তবে প্রয়োজনে সংসদ এ ব্যবস্থায় সংশোধন বা পরিমার্জনের ক্ষমতা রাখবে বলেও তারা জানিয়েছেন।
দেশ রূপান্তর: দেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ সরকারের

দেশে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রবিবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, নিয়োগের যোগ্যতা ও সনদ সংক্রান্ত কিছু জটিলতা থাকলেও তা দ্রুত সমাধান করে শিগগিরই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, এই নিয়োগে ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের শিক্ষকদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে কারিআনা পাসধারীদের নিয়োগের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলোকে সরকারি নীতিমালার আওতায় আনা এবং ইবতেদায়ি ও কওমি শিক্ষাসহ বিভিন্ন ধারার শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে আনার জন্য সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি পদ্ধতি নিয়েও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
যুগান্তর: সবশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই হবেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। রোববার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ৭৪ পৃষ্ঠার রায়টি লিখেছেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
আপিল বিভাগ তাদের পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, আগামী চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকেই এই ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে। তবে প্রয়োজন হলে সংসদ এ ব্যবস্থায় সংযোজন বা বিয়োজন করার ক্ষমতা রাখবে।
বিএনপির আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান আবার সংবিধানে ফিরে এসেছে এবং এটি দেশের গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক।
দ্য ডেইলি স্টার: স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াত

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের অংশ হিসেবে অংশ নেওয়ার পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটি সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় মেয়র এবং জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে।
দলীয় সূত্র জানায়, জেলা ও মহানগর ইউনিটগুলোকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু তালিকা জমা পড়েছে এবং বাকি তালিকা ঈদের পর পাওয়া যেতে পারে।
এরপর প্রথম ধাপে ঢাকার দুটি সিটিসহ ১২টি সিটি করপোরেশনের প্রার্থী চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, দলটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ছাড়াই স্বতন্ত্রভাবে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। সংসদ নির্বাচনের পরপরই জেলা ও উপজেলা ইউনিটগুলোকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রথম আলো: দখল, দ্বন্দ্ব ও চাঁদাবাজির জন্য মামলায় ‘ইচ্ছেমতো’ আসামি

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ঘিরে দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় ঢালাওভাবে আসামি করার অভিযোগ উঠেছে। একটি ঘটনায় তিনটি মামলা হওয়ার নিয়ম না থাকলেও একই ঘটনার মামলায় ইসমাইল প্রধানীয়া নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর ১০৯ দিন কারাগারে থাকতে হয়েছে।
মামলায় তাকে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হলেও দলটির কোনো কমিটিতেই তার নাম নেই। অনুসন্ধানে জানা গেছে, অ্যাপার্টমেন্ট ও বিপণিবিতানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে রাজনৈতিক পরিচয়ে হত্যা মামলার আসামি করা হয়েছিল।
১০০টি মামলার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী, সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি অনেক সাধারণ মানুষকেও এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বিরোধ, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব, সম্পদ দখল বা প্রতিহিংসার কারণে এসব মামলা করা হয়েছে। দুটি মামলায় তিনজন মৃত ব্যক্তিকেও আসামি করার তথ্য পাওয়া গেছে।
এছাড়া অন্তত ৪৭টি মামলায় ছয় শতাধিক আসামির নাম বাদ দেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের মামলা বিচারব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে এবং নিরীহ মানুষকে হয়রানির ঝুঁকিতে ফেলছে।
নিউ এইজ: সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের বিতর্ক

সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল গঠন নিয়ে জাতীয় সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সংবিধান সংস্কার কাউন্সিলের কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই।
তিনি বলেন, গণভোটের ফল বাস্তবায়নের আগে সংবিধানে সংশোধনী আনা প্রয়োজন এবং ২০২৫ সালের জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশকে তিনি অবৈধ বলে মন্তব্য করেন।
এ বিষয়ে সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংবিধান সংস্কার কাউন্সিলের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার সংবিধান সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছেন এবং বিরোধী দলের ৭৭ জন সংসদ সদস্য ইতোমধ্যে এ উদ্যোগে সমর্থন জানিয়েছেন।
কালের কণ্ঠ: সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদে উত্তেজনা

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, গণভোটের ফল অনুযায়ী নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানের কথা থাকলেও এখনো তা করা হয়নি।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধানে সংস্কার পরিষদ নামে কোনো কাঠামো নেই। তাই জুলাই সনদে উল্লেখিত বিষয় বাস্তবায়নের আগে সংবিধানে সংশোধনী আনা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে সংসদে দুই পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রায় ৬৮ শতাংশ ভোটে এটি অনুমোদিত হয়।
আজকের পত্রিকা: ৪২ জেলা পরিষদে বিএনপির নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ

দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার স্থানীয় সরকার বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব প্রশাসক দায়িত্বে থাকবেন এবং তারা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করবেন।
নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকদের সবাই বিএনপির নেতা। এর আগে ঢাকাসহ দেশের ১১টি সিটি করপোরেশনেও বিএনপির নেতাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করার পর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় এই নিয়োগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
মানবজমিন: ঈদ সামনে রেখে জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিং প্রত্যাহার

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশে জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থা প্রত্যাহার করেছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব ফিলিং স্টেশনে চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ ও বিক্রি করা যাবে।
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইরান ও ইসরাইলের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় গত ৬ মার্চ থেকে দেশে জ্বালানি তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তবে ইতোমধ্যে আমদানিকৃত কয়েকটি জ্বালানি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখা এবং বোরো মৌসুমে কৃষকদের সেচ কার্যক্রম সচল রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।
নয়া দিগন্ত: ভূকৌশলগত অবস্থান কাজে লাগালে তেল রফতানিকারক দেশ হতে পারে বাংলাদেশ

জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভূকৌশলগত অবস্থান ও আঞ্চলিক বাজারের সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ তেল পরিশোধন ও পুনরায় রফতানির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।
তাদের মতে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্যিক রুটের সংযোগস্থলে অবস্থান, গভীর সমুদ্রবন্দরের সম্ভাবনা এবং বড় আঞ্চলিক বাজারের নৈকট্য বাংলাদেশকে এ খাতে বড় সুযোগ এনে দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া ও নেদারল্যান্ডসের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, এসব দেশ নিজস্ব তেল উৎপাদন না থাকলেও আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করে আন্তর্জাতিক বাজারে রফতানি করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে।
তাদের মতে, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে আমদানিনির্ভর জ্বালানি নীতির কারণে এ খাতে সম্ভাবনাগুলো পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেনি। কৌশলগত পরিকল্পনা নিলে ভবিষ্যতে এই খাত থেকে উল্লেখযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব।
জনপ্রিয়
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে হাওরাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা, বাড়ছে নদ-নদীর পানি
উজানের ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকায় বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সুরমা-কুশিয়ারা, ধনু-বাউলাই, মনু, খোয়াই ও জুড়িসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। আগামী তিন দিনে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার হাওরসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি বা অবনতি হতে পারে।

বিশ্ব নৃত্য দিবসে সুনামগঞ্জে বর্ণিল নৃত্য উৎসব
বিশ্ব নৃত্য দিবস উপলক্ষে সুনামগঞ্জে জেলা শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে বর্ণিল নৃত্য উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসবে সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলার ২৭টি সাংস্কৃতিক সংগঠন ৩১টি নৃত্য পরিবেশন করে। বৈরি আবহাওয়ার মধ্যেও শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী ও দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত ও মনোমুগ্ধকর হয়ে ওঠে।

টানা বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জের হাওরে বন্যার শঙ্কা, বাড়ছে নদীর পানি
টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে সুনামগঞ্জের হাওর সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী তিন দিনে পানি আরও বাড়তে পারে এবং কিছু এলাকায় প্রাক-মৌসুমি বিপদসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।

বাঁধ ভেঙে জিনারিয়া হাওরে পানি ঢুকছে, সুনামগঞ্জে বোরো ফসল তলিয়ে কৃষকদের ক্ষতি
টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার জিনারিয়া হাওরে বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ বোরো ধানক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে অর্ধশতাধিক কৃষকের বছরের পরিশ্রম ও স্বপ্ন হুমকির মুখে পড়েছে।









