
দেশব্যাপী হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের দাবি করলেও আক্রান্তের সংখ্যা এখনো উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি শিশু টিকার আওতায় আনা হলেও প্রতিদিন হাজারের বেশি শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
সাধারণত হামের টিকা নেওয়ার দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেই শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়ার কথা। কিন্তু টিকাদান কার্যক্রম শেষ হওয়ার ছয় থেকে সাত সপ্তাহ পরও সংক্রমণ কমার কোনো দৃশ্যমান লক্ষণ নেই। ফলে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা, সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং টিকাদানের প্রকৃত কভারেজ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
চলতি বছরের ৫ এপ্রিল ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলা ও পৌরসভায় হাম প্রতিরোধে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। পরে ২০ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত দেশব্যাপী ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এই কর্মসূচিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ শতাংশ বেশি শিশু টিকার আওতায় এসেছে।
তবে জনস্বাস্থ্যবিদদের মতে, কাগজে-কলমে শতভাগ কভারেজ দেখালেও বাস্তবতা ভিন্ন হতে পারে। সাবেক রোগনিয়ন্ত্রণ পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, প্রকৃতপক্ষে কত শিশু টিকা পেয়েছে এবং তাদের শরীরে কতটুকু অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে, তা যাচাই না করলে সফলতার দাবি অর্থহীন হয়ে পড়ে।
তিনি মনে করেন, অনেক এলাকায় প্রকৃত শিশুসংখ্যার তুলনায় কম লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হতে পারে। ফলে সরকারি হিসাব অনুযায়ী শতভাগ কভারেজ অর্জিত হলেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিশু টিকার বাইরে থেকে যেতে পারে। এতে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি না হওয়ায় সংক্রমণ অব্যাহত থাকে।
ভ্যাকসিন বিশেষজ্ঞ ডা. তাজুল ইসলাম বারীও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, টিকা দেওয়া হয়েছে বললেই হবে না, টিকা গ্রহণকারী শিশুদের শরীরে কার্যকর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়েছে কি না, তা রক্ত পরীক্ষা করে নিশ্চিত করতে হবে। অথচ এখন পর্যন্ত এমন কোনো মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু হয়নি।
বিশেষজ্ঞদের আরেকটি বড় উদ্বেগের জায়গা হলো কোল্ড চেইন বা নির্ধারিত তাপমাত্রা বজায় রাখা। তাদের মতে, টিকা উৎপাদন থেকে প্রয়োগ পর্যন্ত নির্দিষ্ট তাপমাত্রা নিশ্চিত না হলে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন সংরক্ষিত টিকা প্রত্যন্ত অঞ্চলে পরিবহনের সময় তাপমাত্রা সঠিকভাবে বজায় রাখা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক হালিমুর রশীদ বলেন, টিকা নেওয়া শিশুদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কি না, তা এখনো পরীক্ষা করা হয়নি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১ হাজার ৪১১ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ২৪৩ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৫ জন।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৭৬ হাজার ৮৭৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ৯ হাজার ৫০৩ জনের শরীরে ল্যাব পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামসদৃশ উপসর্গে মোট ৬১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ৯১ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছিল, আর বাকি ৫১৯ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা মূল্যায়ন, প্রকৃত কভারেজ যাচাই এবং সংরক্ষণ ব্যবস্থার নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। অন্যথায় টিকাদান কর্মসূচির পরও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
‘সহজ কিস্তি’, ‘০% সুদ’ গ্রাহক আকৃষ্ট করতে এমন প্রচারণার আড়ালে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কেন? চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো বাংলাদেশের কিস্তি বিক্রয়ব্যবস্থা নিয়ে এমন প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। ৯ মাসের কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে নগদ মূল্যের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে গ্রাহককে। অথচ প্রচারণায় বলা হচ্ছে ‘০% সুদ’।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং শিল্পখাতের চাহিদার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’, যার আয়োজন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউসেপ বাংলাদেশ। ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত অল্টারনেটিভ লার্নিং প্রজেক্ট (ALP) এবং জিআইজেড-এর Advantage প্রজেক্ট-এর আওতায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজন তরুণদের জন্য নতুন কর্মজীবনের সুযোগ উন্মোচনের পাশাপাশি নিয়োগদাতা ও চাকরিপ্রত্যাশীদের এক ছাদের নিচে নিয়ে আসে।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।