.jpg&w=3840&q=75)

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। তবে এ সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি তারা। পাকিস্তানের এই অবস্থান শুধু দুই দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এর প্রভাব পড়তে পারে পুরো বিশ্ব ক্রিকেটে। সেই প্রভাব থেকে বাদ যাবে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)ও।
পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে বিসিবির কোনো পরিচালকই নাম প্রকাশ করে কথা বলতে চাননি। তবে সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি নিয়ে যে বোর্ডের ভেতরে উদ্বেগ রয়েছে, তা স্পষ্ট। বিসিবির আয়ের বড় অংশই আসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশের মাধ্যমে।
ভারত–পাকিস্তান ম্যাচের ক্রিকেটীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ম্লান হলেও এই ম্যাচের অর্থনৈতিক গুরুত্ব এখনো বিপুল। সর্বশেষ এশিয়া কাপে তিনবার ভারতের মুখোমুখি হয়ে সবকটি ম্যাচেই হেরেছিল পাকিস্তান। তবে মাঠের ফলাফলের বাইরে এই ম্যাচ বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক সম্পদগুলোর একটি।
পাকিস্তান সরকারের সিদ্ধান্তের পর আইসিসিও জানিয়েছে, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত বিশ্ব ক্রিকেটের পুরো ‘ইকোসিস্টেমে’ প্রভাব ফেলবে। সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসবে অর্থনৈতিক জায়গায়। বিসিবির কর্মকর্তারাও বিষয়টিকে একইভাবে দেখছেন।
বিসিবির এক শীর্ষ পরিচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ না হলে পুরো ক্রিকেটবিশ্বই আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। এতে আমাদের মতো বোর্ডগুলোর লভ্যাংশও কমে যাবে। আমরা এ ধরনের ক্ষতি চাই না।’ তবে তিনি এটাও উল্লেখ করেন, ‘পাকিস্তান ভারতের ক্রিকেট আধিপত্যের বিরুদ্ধে একটি শক্ত বার্তা দিতে চেয়েছে। সেই দিক থেকে দেখলে তাদের অবস্থানকে কেউ কেউ যৌক্তিক বলতেই পারেন।’
ভারতের সঙ্গে রাজনৈতিক বৈরিতাও পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তের পেছনে একটি বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান মহসিন নাকভি শুরু থেকেই বাংলাদেশের ভেন্যু ইস্যুতে ভারতের অবস্থানের বিরোধিতা করে আসছেন এবং আইসিসির বিভিন্ন সভায় বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলেছেন। সে কারণেই পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তকে কেউ কেউ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থনের ইঙ্গিত হিসেবেও দেখছেন।
বিসিবির আরেক পরিচালক বলেন, ‘আইসিসি যেভাবে আমাদের কথা না শুনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার একটি প্রতিক্রিয়া তো আসবেই। পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ না খেলার ঘোষণা অনেক বড় ঘটনা।’
তবে হতাশার জায়গাটাও স্পষ্ট। এবারের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করা এবং ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে আয় কমে যাওয়ায় বিসিবি আগেই আর্থিক চাপে আছে। পৃষ্ঠপোষকতা ও সম্প্রচারস্বত্ব থেকে যে আয় হয়, তা দিয়ে পুরো বছরের ক্রিকেট পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
বিশ্বকাপ ইস্যুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক বিসিবি পরিচালক বলেন, ‘আইসিসির আয়ের ভান্ডারে যদি বড় ধরনের ধাক্কা লাগে, তার প্রভাব আমাদের ওপরও পড়বে। ছোট দেশগুলোর জন্য হয়তো সামান্য অর্থই যথেষ্ট, কিন্তু আমাদের অবকাঠামো ও ব্যয় অনেক বেশি।’
ভারত–পাকিস্তানের মতো বাংলাদেশের সঙ্গেও ভারতের ক্রিকেট কূটনৈতিক টানাপোড়েন এখন প্রকাশ্য। এশিয়া কাপসহ ভবিষ্যৎ দ্বিপক্ষীয় সূচিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা বিসিবির। তবে সব শঙ্কার মধ্যেও আলোচনার পথ খোলা থাকবে এমন প্রত্যাশাই করছেন বোর্ড কর্মকর্তারা।
এক পরিচালক বলেন, ‘সংকট যত বড়ই হোক, আলোচনার দরজা বন্ধ থাকে না। শেষ পর্যন্ত সমাধান আসবে বলেই আমরা আশা করছি।’
‘সহজ কিস্তি’, ‘০% সুদ’ গ্রাহক আকৃষ্ট করতে এমন প্রচারণার আড়ালে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কেন? চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো বাংলাদেশের কিস্তি বিক্রয়ব্যবস্থা নিয়ে এমন প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। ৯ মাসের কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে নগদ মূল্যের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে গ্রাহককে। অথচ প্রচারণায় বলা হচ্ছে ‘০% সুদ’।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং শিল্পখাতের চাহিদার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’, যার আয়োজন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউসেপ বাংলাদেশ। ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত অল্টারনেটিভ লার্নিং প্রজেক্ট (ALP) এবং জিআইজেড-এর Advantage প্রজেক্ট-এর আওতায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজন তরুণদের জন্য নতুন কর্মজীবনের সুযোগ উন্মোচনের পাশাপাশি নিয়োগদাতা ও চাকরিপ্রত্যাশীদের এক ছাদের নিচে নিয়ে আসে।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।