ওয়ানডে সিরিজে পরপর দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ খোয়ানোর পর টি-টোয়েন্টি সিরিজেও জয় দিয়ে শুরু করতে পারেনি বাংলাদেশ। ব্যাটিং বিপর্যয়ে প্রত্যাশিত সংগ্রহ গড়তে ব্যর্থ হওয়ায় তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
বুধবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। তবে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৯ ওভারে ১৩১ রানে অলআউট হয়ে যায় স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন মেহেদি হাসান। ২২ বলের ইনিংসে তিনি চারটি বাউন্ডারি হাঁকান। ওপেনার সাইফ হাসান করেন ২০ রান। তবে অন্য ব্যাটাররা বড় কোনো জুটি গড়তে না পারায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি টাইগাররা।
অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে অ্যাডাম জাম্পা ও জোয়েল ডেভিস তিনটি করে উইকেট নেন। দুটি উইকেট শিকার করেন ম্যাট রেনশ।
১৩২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। দলীয় ১৩ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ৩৮ রানে দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে। ওপেনার জশ ইংলিসকে বোল্ড করে ফেরান শরীফুল ইসলাম। অন্য ওপেনার মিচেল মার্শ মোস্তাফিজুর রহমানের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন।
তৃতীয় উইকেটে কুপার কনোলি ও টিম ডেভিড ২৮ বলে ৪০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। ম্যাচে অভিষেক হওয়া আব্দুল গাফফার সাকলাইন কুপারকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন। ফিফটির কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়া কুপার ২৭ বলে চারটি চার ও তিনটি ছক্কার সাহায্যে ৪৭ রান করে আউট হন। দলীয় ৭৮ রানে তার বিদায় ঘটে।
এরপর টিম ডেভিডও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৬ বলে ২০ রান করে মেহেদি হাসানের শিকার হন তিনি। তার আউটের সময় অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ৮৯ রান।
পঞ্চম উইকেটে ম্যাট রেনশ ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার নিখিল চৌধুরী দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন। দুজন মিলে ২৯ বলে ২৭ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ১২৯ রানে নিখিল চৌধুরী আউট হলেও জয়ের জন্য তখন প্রয়োজন ছিল অল্প কিছু রান।
ম্যাট রেনশ ২৮ বলে ১৮ রান করে ফিরে যান। এরপর আট নম্বরে ব্যাট করতে নেমে বার্টলার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করেন। নির্ধারিত সময়ের ১০ বল বাকি থাকতেই ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া।
এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল সফরকারীরা।










