হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া


মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদ, ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) যত্রযত্র বেঁধে রেখে ব্যবহার করা হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার। সিএনজির পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে এলপিজি গ্যাস। গ্যাস সিলিন্ডারের সামনে বসেই হরহামেশা ধূমপান করছেন যাত্রী। সিলিন্ডার বিষ্ফোরণে প্রাণহানির আশংকা বাড়ছে। হরহামেশা ব্যবহার হচ্ছে মেয়াদোত্তীর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার। জ্বালানী গ্যাস সিলিন্ডারের যথাযথ ব্যবহার না থাকায় প্রতিনিয়তই ঘটছে বড় বড় দুর্ঘটনা। এসব ঘটনা বিশ্লেষণে সঠিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাা না রেখে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারকে টাইম বোমের সাথে তুলনা করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। তবে এ সবের বাইরে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে দেখা মিলবে শত শত এলপিজি গ্যাস চালিত ৩ চাকার বাহন সিএনজির। শুধু দিনাজপুর জেলা কিংবা ঘোড়াঘাট উপজেলা নয়! এমন চিত্র সারা দেশের সব জেলা-উপজেলায়।অল্প ভাড়ায় দ্রুত যাতায়াতের অন্যতম বাহন এই জ্বালানী গ্যাস চালিত সিএনজি। কাছের কিংবা দুরের যাত্রায় নি¤œবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয় তিন চাকার এই বাহনটি। তবে গ্যাস চালিত এই সিএনজিতে নেই কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থাা। বাহনটির পেছনে মনগড়া ভাবে ২ থেকে ৩টি পর্যন্ত গ্যাসের সিলিন্ডার নিয়ে যাত্রী পরিবহণ করে চলছে। এসব গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার হচ্ছে সিএনজি’র জ্বালানী হিসেবে। এতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে টাইম বোমের এই গাড়িটিতে প্রতিদিন যাতায়াত করছেন নানা বয়সী হাজার হাজার যাত্রী। অনেক যাত্রী এসব গ্যাস সিলিন্ডারের সামনে বসেই হরহামেশা ধূমপান করছে। তবে এসব নিয়ে তেমন কোন পদক্ষেপ নেই সংশ্লিষ্ট কোন দফতরের।রবিবার সকালে সরেজমিনে ঘোড়াঘাট উপজেলা ঘুরে দেখা যায়, পৌর শহরের চার মাথা বাস¯ট্যান্ড থেকে কামদিয়া বাজার পর্যন্ত যাতাযাতের জন্য যাত্রীর অপেক্ষায় সাড়িবদ্ধ ভাবে দাঁড়িয়ে আছে ৮ থেকে ১০টি সিএনজি। প্রতিটি সিএনজির পেছনে যাত্রী বসার সিটের সাথে রাখা ২ থেকে ৩টি পর্যন্ত এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডার। এ সব সিলিন্ডারের সামনে চেপেইনিয়মিত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন শিশু থেকে বৃদ্ধ সহ নানা বয়সের যাত্রী। একই চিত্র করতোয়া নদীর ত্রিমোহনীঘাটে। সেখানে সড়কের উপরে দাঁড়িয়ে আছে ১৫ থেকে ২০টি সিএনজি। যাত্রী নিয়ে তারা নিয়মিত যাতায়াত করে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী চারমাথা মোড় পর্যন্ত। এসব সিএনজিতেও রাখা একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার।একটি সিএনজিতে একাধিক রান্নার কাজে ব্যবহারিত গ্যাস সিলিন্ডার রাখার কারণ জানতে চাইলে এ সব সিএনজির চালক এবং মালিকরা জানান, আগে তারা বগুড়া থেকে সিএনজি গ্যাস ভরিয়ে আনতেন। তবে দুরত্ব বেশি হওয়ায় এবং মহাসড়কে তাদের সিএনজি উঠতে না দেওয়ায় রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি গ্যাস তারা ব্যবহার করছেন। এই গ্যাসের বোতলতুলনামূলক ছোট হওয়ায়, একসাথে ২-৩টি গ্যাসের সিলিন্ডার তারা গাড়িতে রাখছেন। যাতে যেকোন মুহুর্ত্বে একটি সিলিন্ডার শেষ হলে আরেকটি সিলিন্ডার তারা ব্যবহার করতে পারেন।সিএনজিতে ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে এ সব গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারের ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই যাতায়াত করছেন সাধারণ মানুষ। এতে যেকোন মুহুর্ত্বে ঘটতে পারে যেকোন ধরণের বড় দুর্ঘটনা। হতে পারে প্রাণহানির মত মর্মান্তিকঘটনা। ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তারা বলছেন, গ্যাস লিকেজ সহ যেকোন ত্রুটির কারণে এসব জ্বালানী গ্যাসের সিলিন্ডার বিষ্ফোরিত হতে পারে। আর কোন কারণে সিএনজিতে থাকা এসব গ্যাস সিলিন্ডার বিষ্ফোরণ হলে সিএনজির পেছনে বসে থাকা যাত্রীদের শরীরের বিভিন্ন অংশ ছিন্নভিন্ন হতে পারে।সিএনজিতে বসে ঘোড়াঘাট থেকে কামদিয়া যাচ্ছিলেন মহিলা ডিগ্রি কলেজে কর্মরত শান্ত ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক আগে থেকেই সিএনজিতে যাতায়াত করি। আমাদের পেছনে গ্যাসের সিলিন্ডার দৃশ্যমান। তবে ঝুঁকি নিয়ে হলেও, অন্যদের মত আমিও যাতায়াত করি।’সিএনজির আরেক যাত্রী আফ্রিদি কবির রাকা বলেন, ‘প্রতি বছরই গ্যাস সিলিন্ডার বিষ্ফোরণে বড় ধরণের প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। তার পরেও আমরা অসচেতনতাবশত ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করি। তবে কোন কারণে সিএনজিতে থাকা এসব গ্যাস সিলিন্ডার বিষ্ফোরিত হতে শরীরের অর্ধেক উড়ে যাবে।’সিএনজি চালক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি গত ১০ বছর যাবত সিএনজি চালাই। শুরু থেকেই গ্যাস দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছি। আগে বগুড়া থেকে গ্যাস নিয়ে আসতাম। এখন স্থাানীয় দোকান থেকে এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডার কিনে ব্যবহার করছি। ছোট্ট একটি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার দিয়ে ৪০ থেকে ৫০ বার যাতায়াত করা যায়। তবে কোন সময় কোন দুর্ঘটনা ঘটেনি।’এদিকে ঘোড়াঘাট ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নিরঞ্জন সরকার বলেন, ‘সিএনজিতে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার শতভাগ ঝুঁকিপূর্ণ। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মেয়াদোত্তীর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে। পুরাতন গ্যাস সিলিন্ডার রংচং করে নতুন করা হচ্ছে। একাধিকবার রং করার কারণে গ্যাসের সিলিন্ডারের উপরে খোদাই করা মেয়াদের তারিখ মিশে গেছে। যত্রযত্র এসব সিলিন্ডার ব্যবহারের ফলে বড় ধরণের প্রাণহানি ঘটে আসছে। আমরা বিভিন্ন ভাবে সাধারন মানুষকে সচেতন করছি।’ক্যাপশন-তিন চাকার বাহন সিএনজির পেছনে বেঁধে রাখা এলপিজি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেই সিলিন্ডারের সামনেই বসে আছেন দু’জন যাত্রী। ছবিটি রবিবার সকালে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌর এলাকার চার মাথা বাসস্ট্যান্ড থেকে তোলা।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ইয়াবা সেবন ও ব্যবহারের অপরাধে মো. ফারুক নামে এক ব্যক্তির এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সাতক্ষীরার জেলার, তালা উপজেলার ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ১৩ জন ছাত্রীর বাল্যবিয়ে সম্পন্ন হওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।