

কদিন আগেও রাজধানীতে যে গরুর মাংস কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হতো, তা এখন ৬০০ টাকায় কিনছেন ক্রেতারা। হাঁকডাক দিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে গরুর মাংস। আর সেই মাংস কিনতে দোকানে দোকানে দেখা মিলছে ক্রেতাদের সারি।রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ঘুরেই দেখা মেলে ৬০০ টাকা কেজি দামে গরুর মাংস বিক্রি হতে। তবে কিছু কিছু বাজারে ৭০০ টাকা দামে মাংস বিক্রি হয়েছে। এ অবস্থায় অনেকের মনে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, সবকিছুর মূল্য বৃদ্ধির সময় গরুর মাংসের দাম কমলো কেন। এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে যানা গেলো কয়েকটি কারণ।এখন চোরাই পথে ভারতীয় গরু দেশে ঢোকার কারণে মাংসের বাজারে প্রভাব পড়েছে। তবে দাম নির্ধারণ না করে দিলে মাংসের বাজার আবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন অনেক কসাই। গরুর মাংসের দাম ৮০০ টাকা হলে মানুষের খাদ্যতালিকা থেকে তা উঠে যায়। কমে যায় গরুর মাংসের চাহিদাও।আগে গরুর মাংসের মণ ২৫ হাজার টাকা ধরে হাটে গরু বিক্রি হতো। এখন তা ২১ হাজার টাকা ধরে বিক্রি হয়। এটার কারণ হচ্ছে, কোরবানির অনেক গরু অবিক্রীত রয়ে গেছে। এই সময়ে পিকনিক, বিয়েসহ নানা রকম অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। কিন্তু অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এগুলো হচ্ছে না। সব মিলিয়ে বাজারে সরবরাহ অনেক বেশি, কিন্তু চাহিদা কম। আর বাজারে গরুর খাবারের দামও কিছুটা কমেছে। তাই গরুর দাম কমেছে।এদিকে, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে মাংসের উৎপাদন ছিল ৮৭ লাখ টন। আর এই অর্থবছরে দেশের বাজারে মাংসের চাহিদা ছিল ৭৬ লাখ টন। ফলে চাহিদার তুলনায় ১১ লাখ টন বেশি মাংস উৎপাদিত হয়েছে।



