

চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই থেকে নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি কমেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় পোশাক রপ্তানি কমেছে ০.২০ বিলিয়ন ডলার বা ২০০ মিলিয়ন ডলার। আমেরিকায় ৫ দশমিক ৭৬ শতাংশ পোশাক রপ্তানি কমলেও যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে তা বেড়েছে ১৪ দশমিক ৬১ শতাংশ।বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) প্রকাশিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩.২৭ বিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশের মোট রপ্তানির ১৭.৪০ শতাংশ। যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৬ শতাংশ কম। আগের বছর একই সময় রপ্তানি করেছিল ৩.৪৭ বিলিয়ন ডলার।প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির ১১.৯৮ শতাংশই যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে। আলোচ্য সময়ে শুধু ব্রিটেনে রপ্তানি হয়েছে ২.২৫ বিলিয়ন ডলার। আগের বছর একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ১.৯৬ বিলিয়ন ডলার। এ সময় ইউকেতে পোশাক রপ্তানির প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৪.৬১ শতাংশ।যুক্তরাজ্যে রপ্তানি বাড়লেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে রপ্তানির মোট প্রবৃদ্ধি ছিল ০.১৮ শতাংশ কম। আলোচ্য সময়ে ইইউতে বাংলাদেশ থেকে মোট রপ্তানি হয়েছে ৯.০৫ বিলিয়ন ডলার। যা বাংলাদেশের রপ্তানির ৪৮.০৭ শতাংশ। আগের বছর একই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৯.০৭ বিলিয়ন ডলার।এছাড়া, কানাডায়ও আলোচ্য সময়ে রপ্তানি কমেছে ২.৭১ শতাংশ। অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে কানাডায় পোশাক পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৬০৬ মিলিয়ন ডলার। আগের বছর একই সময়ে কানাডায় রপ্তানি হয়েছিল ৬২৩ মিলিয়ন ডলার।প্রসঙ্গত, দেশের পোশাক রফতানির প্রধান গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এর বাইরে যেসব দেশে পোশাক রফতানি হয় সেগুলো অপ্রচলিত বাজার হিসাবে পরিচিত। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রফতানি বেড়েছে ১৪ দশমিক ১২ শতাংশ।



