আন্তর্জাতিক
মার্কিন রণতরিকে সহায়তা করলে হামলার হুমকি

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড । ছবি: রয়টার্স
লোহিত সাগরে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডকে সহায়তা করা যেকোনো কেন্দ্রকে হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করা হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান।
রোববার ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের এক মুখপাত্র এই সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, লোহিত সাগরে মার্কিন এই বিমানবাহী রণতরির উপস্থিতি ইরানের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে।
মুখপাত্র আরও বলেন, লোহিত সাগরে অবস্থানরত ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডকে যেসব কেন্দ্র লজিস্টিকসহ অন্যান্য সহায়তা দিচ্ছে, সেগুলো ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।
খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের অধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কমান্ড। এই দপ্তরের মূল দায়িত্ব বিভিন্ন সামরিক ইউনিটের সমন্বয়ে অভিযান পরিকল্পনা ও পরিচালনা করা।
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে ইরানের এই হুঁশিয়ারি নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে বলে বিশ্লেষকদের মত।
সম্পর্কিত
জনপ্রিয়
সর্বশেষ
আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
ইরানকে কড়া বার্তা ইরাকের শিয়া নেতা আল-সাদরের
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং তেহরানের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে ইরাকের ভূখণ্ড ব্যবহার করে কোনো সামরিক অভিযান না চালানোর কড়া বার্তা দিয়েছেন দেশটির প্রভাবশালী শিয়া নেতা মুকতাদা আল-সাদর। তিনি বলেছেন, ইরাককে কোনো আঞ্চলিক সংঘাতের যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করা যাবে না।

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক ‘এখন পর্যন্ত সেরাগুলোর একটি’, বললেন নেতানিয়াহু
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠককে "এখন পর্যন্ত অন্যতম সেরা" বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কের টানাপোড়েনের জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে দুই দেশের জোটকে "গ্রানাইটের দেয়ালের মতো দৃঢ়" বলে বর্ণনা করেন।

মার্কিন ঘাঁটিতে অভিযানে নিহত ইরানি পাইলটের মরদেহ ফিরছে দেশে
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সময় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে এক অভিযানে নিহত ইরানি পাইলট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ কাজেমির মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৩, ধসে পড়া শপিংমলে চলছে মরিয়া উদ্ধার অভিযান
ভূমিকম্পের পর বুধবার পর্যন্ত ৩৬ হাজারের বেশি বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। এ সময় তাপমাত্রা প্রায় ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। ফলে তাপজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি নিয়েও সতর্ক করেছে প্রশাসন।









