
চ্যাম্পিয়নস লীগের কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায় নিল গত বারের চ্যাম্পিয়ন চেলসি ।
রিয়ালের মাঠে শুরুটা ভালোই ছিল চেলসির। প্রথম লেগে ৩-১ ব্যবধানে হারার পর চেলসি রুখে দাঁড়িয়ে ছিল দ্বিতীয় লেগে। শুরুর হাফটা ছিল চেলসির পায়ে।
মাত্র ১৫তম মিনিটে ইংলিশ গোল্ডেন বয় মেসন মাউন্টের পা থেকে প্রথম গোল আসে চেলসির। দ্বিতীয় হাফের শুরুটাও ছিল দারুন। ৫১তম মিনিটে মাউন্টের দুর্দান্ত ক্রসে হেডারের সুযোগ পায় রুডিগার। সুযোগকে হাত ছাড়া করেনি জার্মান ডিফেন্ডার। ২-০ তে এগিয়ে থাকা চেলসি এগ্রাগেটে ৩-৩ সমতায় আসে সেই হেডার দিয়ে।
ক্রোসিয়ান মিডফিল্ডার কোভাচিচের চালাক পাসে সুযোগ পায় জার্মান স্ট্রাইকার টীমো ওয়েরনার। সুযোগ মিস করার জন্যে ওয়েরনার সবসময়য় সমালচিত। তবে দলকে এগ্রাগেটে এগিয়ে নিতে সুযোগটি হাত ছাড়া করেনি ওয়েরনার । তার গোল দিয়ে ৪-৩ এগ্রাগেটে এগিয়ে যায় চেলসি । একের পর এক এটাক এর সামনে ভেঙ্গে পরে মাদ্রিদ। তবে ৭২ মিনিটে রিয়েলের হয়ে মাঠে নামে ব্রাজিলিয়ান তরুন তারকা রদ্রিগো । ৮০ মিনিটে লুকা মদ্রিচের অবাক করা পাসে গোল করে রদ্রিগো । এগ্রাগেট ৪-৪ গোলে আবার সমতায় আসে। সমতা থাকায় অতিরিক্ত সময়ে চলে যায় খেলা।
তবে পুরো খেলায় আধিপাত্য বিস্তার করা চেলসি আবার বেঞ্জেমা ও ভিনিসিয়াসের আক্রমণের স্বীকার হয় । ৯৬তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান তরুন ভিনিসিয়াসের গতি ও নিখুঁত পাসে গোল করার সুযোগ পায় ফ্রেঞ্চ স্ট্রাইকার কারিম বেঞ্জেমা । এরকম সুযোগ সাধারণত হাত ছাড়া করেন না তিনি। তার গোল দিয়ে এগ্রাগেটে ৫-৪ এ এগিয়ে যায় রিয়েল ।
গোল করার পর কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন বেঞ্জেমা। বাকি খেলায় চেলসি একের পর এক আক্রমণ করলেও শেষ রক্ষা আর হয়নি।
এখন ১৪তম শিরোপা জিততে মরিয়া হয়ে আছে স্প্যানিশ জায়েন্ট রিয়েল মাদ্রিদ ।



