ফ্রেঞ্চ ক্লাসিকোতে মারসেইর বিপক্ষে নাটকীয় জয় পেয়েছে পিএসজি। ৮৫তম ক্লাসিকোর আগে দুই দলের এঁকে অপরের বিপক্ষে জয়ের সংখ্যা ছিল সমান (৩২)। তবে সেই পরিসংখ্যানে পিএসজি এখন এগিয়ে। পার্ক দেস প্রিন্সেসে ২-১ ব্যবধানে মারসেইর বিপক্ষে ৩৩তম জয় নিশ্চিত করে পিএসজি ।

যে দলের ফরওয়ার্ডে নেইমার-এম্বাপ্পে-মেসি আক্রমণে সে দলকে আটকানো অনেক কষ্টের। শুরুটা ছিল তারই প্রতিফলন।

খেলার ১২তম মিনিটে মেসি-ভেরাত্তির বিল্ডাপে গোল পান ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার । নেইমার-মেসিদের ছন্দে মনেই হচ্ছিল সহজে জিতে যাবে পিএসজি। তবে ক্লাসিকোতে নাটক হবে না তা হয়? খেলার ২৭ মিনিট থেকে মারসেই রুখে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালায়। আক্রমণের সামনে চাপে পরে যায় পিএসজি। চাপের মুখেই ডিফেন্সে ভুল করা শুরু করে দলটি। সেই ভুলের শাস্তিও পেতে হয় পিএসজির।

citytouch 728-X-90

৩১তম মিনিটে ডিবক্সে সুযোগ পেয়ে জাল ভেদ করে দলকে সমতায় নিয়ে যায় ক্রোসিয়ান ডিফেন্ডার দুজে স্যালেটসার। এরপর দুই পক্ষই আক্রমণ চালাতে থাকে তবে পজিশন ছিল মারসেইর পায়ে। ৪১ তম মিনিটে মেসি গোল করলেও অফসাইডের কারনে গোলটি বাতিল হয়ে যায়। প্রথমার্ধের ইঞ্জুরি টাইমে নেইমারের শুট মারসেইর ফুলব্যাক রনিগারের হাতে লেগে বাইরে চলে যায়। রেফারি ভিএআররের কাছে গেলে পেনাল্টির নির্দেশনা দেন। কিন্তু পেনাল্টিটি না নেইমার নেয়, না মেসি । এম্বাপ্পেকে দেয়া হয় সেই সুযোগটি। রকেট গতির পেনাল্টিতে ২-১ গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি।

দ্বিতীয় হাফে মারসেই আক্রমণ চালাতে থাকে এবং পিএসজি পার্ক দা বাস খেলতে থাকে। আক্রমণের চাপ সামলাতে না পেরে ফিজিকাল প্লে শুরু করে পিএসজি এবং শুরু হয় হলুদ কার্ডের বন্যা। নেইমার, ভেরাত্তি, এম্বাপ্পে, এরিক গুয়ে, নুনো মেন্দেস এমনকি গোলরক্ষক ডোনারুমাও হলুদ কার্ড পায়। তবে বিনা গোলে শেষ হয় দ্বিতীয় হাফ।

৩২ ম্যাচ খেলে ৭৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ-ওয়ান তালিকার শীর্ষে পিএসজি। সমান ম্যাচ খেলে ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দ্বিতীয়তে মারসেই।