খেলাধুলা
‘শোয়েব খেললে কোহলিকে রানের জন্য পরিশ্রম করতে হতো’
শোয়েব আখতার একজন সাবেক পাকিস্তানি ডান হাতি ফাস্ট বোলার। যাকে ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুতগতির বোলার মনে করা হয়। তিনি দ্রুত গতির বল ডেলিভারির জন্য অফিসিয়ালি বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন। কেপটাউনের নিউল্যান্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২০০৩ সালে তার বোলিং স্পীড ছিল ঘণ্টায় ১৬১.৩৭ কিঃমিঃ (১০০.২৩ মাইল)।
ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুত গতির এই পেসার বিরাট কোহলিকে হুমকি দিয়ে বলেন, আমি যদি এই সময়ে ক্রিকেট খেলতাম তাহলে কোহলি ৫০টা সেঞ্চুরিও পেত না।
পাকিস্তানের সাবেক এই তারকা পেসার আরও জানান, আমি বল করলে কোহলির হয়তো ২০ থেকে ২৫টা সেঞ্চুরি থাকতো। এখনকার সেঞ্চুরিগুলো দেখে মনে হয় না যে, ও আসলেই পরিশ্রম করে সেঞ্চুরিগুলো করেছে।
বিরাটের বিপক্ষে সফল হতেন বলেও দাবি করেন শোয়েব আখতার ।
আইপিএল উপলক্ষে ক্রীড়া ওয়েবসাইট স্পোর্টসক্রীড়ার এক সাক্ষাৎকারে শোয়েব আখতার বলেন, বিরাট কোহলি মানুষ হিসেবে বেশ চমৎকার, সে অনেক বড় ক্রিকেটার। তবে আমি কোহলির বিপক্ষে নিয়মিত খেললে ও কখনোই এত বেশি রান করতে পারত না। তবে যতটুকু রান করত, সেটাও তাকে পরিশ্রম করে করতে হতো।
২০১০ এশিয়া কাপে শ্রীলংকার ডাম্বুলায় মুখোমুখি হয়েছিল ভারত-পাকিস্তান। ভারতের হয়ে খেলতে নেমেছিলেন কোহলি, পাকিস্তানের হয়ে শোয়েব আখতার। সে ম্যাচে ভারত জয় পেলেও কোহলি তেমন কিছুই করতে পারেননি। সাঈদ আজমলের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ২৭ বলে ১৮ রান করেছিলেন। শোয়েবের বিপক্ষে সেদিন খেলা হয়নি কোহলির।
পাঁচ বছর আগের ম্যাচ নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে কোহলি জানান, আমি কখনো শোয়েব আখতারের বল খেলিনি। কিন্তু ডাম্বুলায় আয়োজিত সেই ম্যাচে তার প্রতিপক্ষ একাদশেই ছিলাম। আউট হয়ে গিয়েছিলাম তাই তার বল খেলা হয়নি। কিন্তু ওই দিন তার বল করা দেখে মনে হয়েছিল শোয়েব এখনো সেরা ছন্দে আছেন। তার ওই দিনের আগ্রাসী রূপ দেখে আরও মনে হয়েছিল, সময়ের কোনো ব্যাটসম্যানই তার মুখোমুখি হতে চাইবেন না।
জনপ্রিয়
খেলাধুলা থেকে আরও পড়ুন
কাপুরুষদের সমাজে নাসির আমার বীরপুরুষ
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক ক্রিকেটার নাসির হোসেন–কে ঘিরে চলমান মামলার প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন তাঁর স্ত্রী তামিমা সুলতানা। সেখানে তিনি নাসিরকে নিজের “বীরপুরুষ” হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

বাংলাদেশ দলের কোচ নিয়োগে সংক্ষিপ্ত তালিকায় ৬ জন, বিশেষ গুরুত্বে ক্রিস কোলম্যান
বাংলাদেশ পুরুষ ফুটবল দলের নতুন কোচ কে হচ্ছেন, তা নিয়ে ফুটবলাঙ্গনে জল্পনা-কল্পনা চলছে। জাতীয় দল কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হলেও এখনো কোনো নাম চূড়ান্ত হয়নি। ফলে নতুন কোচের নাম জানতে আরও কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে ফুটবলপ্রেমীদের।

ঢাকা ছেড়েছেন হামজা
ইংল্যান্ডপ্রবাসী বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী চার দিনের ঢাকা সফর শেষ করে আজ শনিবার সকালে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ইংল্যান্ডে ফিরে গেছেন। ক্লাব ফুটবলের ব্যস্ত মৌসুমের ফাঁকে ব্যক্তিগত কিছু কাজ সারতেই এবার দেশে এসেছিলেন তিনি।

ফুডির নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন হামজা চৌধুরী
দেশের অন্যতম শীর্ষ ফুড ও গ্রোসারি ডেলিভারি অ্যাপ ফুডির নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল ও ইংলিশ ক্লাব লেস্টার সিটির ফুটবলার হামজা চৌধুরী।

.jpg)






