
লাজ্জিওকে হারিয়ে সিরিয়া-এর শীর্ষে ফিরেছে এসি মিলান। তবে এই জয়ের জন্যে এসি মিলানকে অনেক ঘাম ঝরাতে হয়েছে। ২-১ ব্যবধানের এই জয়ের শুরুতেই চাপের মুখে ছিল মিলান।
লাজ্জিওর মাঠে মিলানের শুরু ছিল করুণ। ৪র্থ মিনিটে মিলান ডিবক্সের কাছে থ্রোইন পায় লাজ্জিও। থ্রোইনটি সরাসরি মিডফিল্ডার মিল্কভিক-সাভিচ বুকে নিয়ে মিলান ডিবক্সে ক্রস করে। ক্রসটি ইতালিয়ান স্ট্রাইকার ইমবোলের কাছে যায় এবং গোল করে। ১-০ তে এগিয়ে লাজ্জিও শহরে উৎসব শুরু হয়। তবে এগিয়ে থাকা লাজ্জিওকে আক্রমণের চাপে রাখে এসি মিলান। খেলার মাঝে লাজ্জিও কাউন্টার আক্রমণ ছাড়া কিছুই পায়নি। তবে অনেক চেষ্টার পরও আর গোল আসেনি প্রথম হাফে।
দ্বিতীয় হাফে মিলান আক্রমণ বাড়াতেই থাকে। অবশেষে ৫০তম মিনিটে তাদের আক্রমণ সফল হয়। উইঙ্গার লেয়াওর গতি দিয়ে লাজ্জিওর ৬ গজে ঢুকে পরে এবং স্ট্রাইকার জিরুডকে লক্ষ্য করে পাস দেয়, জিরুড খুব সহজে সেই সুযোগকে কাজে লাগায় এবং দলকে সমতায় আনে।
সমতায় এসে মিলান একের পর এক আক্রমণ চালালেও ব্যবধান বাড়াতে ব্যর্থ হয় দুই দল। তবে ৬৭ মিনিটে ডিয়াযের বদলে নামে জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ । ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা নেমেই লাজ্জিওর উপর চাপ তৈরি করতে শুরু করে। ৯০ মিনিটের সময় সকলেই ভেবেছিল খেলার ফলাফল হয়ত ড্র হবে এবং শিরোপার স্বপ্ন শেষ হবে এসি মিলানের। তবে বাড়তি সময়ে চমক দেখায় জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। তার ২৩ বছরের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে হালকা চিপ করে টোনালির কাছে।৯২তম মিনিটে টোনালি সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জয় ছিনিয়ে আনে এসি মিলানের জন্যে। ২-১ ব্যবধানের এই জয় ইতালিয়ান লিগের শীর্ষে নিয়ে গেছে এসি মিলানকে।
৩৪ ম্যাচ খেলে ৭৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে এসি মিলান। তাদের থেকে এক ম্যাচ কম খেলে ৭২ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দ্বিতীয়তে ইন্টার মিলান। শিরোপা কোন মিলানে যাবে তা এখনও অনিশ্চিত।



