চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমি ফাইনালের প্রথম লেগে ভিলারিয়ালকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনাল প্রায় নিশ্চিত করেছে ইংলিশ জায়েন্ট লিভারপুল।

এনফিল্ডে লিভারপুলকে গোল না করতে দেয়ার লক্ষ্যেই নেমেছিল ভিলারিয়াল। শুরু থেকেই ভিলারিয়াল লিভারপুলের আক্রমণ রোধ করার চেষ্টায় ছিল।

প্রথম হাফে ভিলারিয়াল তাদের হাফেই ছিল, কাউন্টার আক্রমণের ওপর নির্ভরশীল ভিলারিয়াল কোন আক্রমণই করতে পারে নি। আক্রমণ না করতে পারলেও লিভারপুলের কোন আক্রমণকে সফল হতে দেয়নি কোচ উনাই এম্রির দলটি। বিনা গোলে শেষ হয় প্রথম হাফ।

citytouch 728-X-90

তবে লিভারপুলের নিখুঁত পজেসন প্লেতে যে কোন দলের ডিফেন্স ভাঙতে বাধ্য। দ্বিতীয় হাফে ঠিক তাই ঘটে। একের পর এক ক্রস ও শুট ভিলারিয়ালকে চাপে ফেলছিল।

কথায় আছে- ‘ভাগ্যবানের বোঝা ভগবানে বয়’। কারণ ৫২মিনিটে মিডফিল্ডার হেন্ডারসন ক্রস করে। ক্রসটি ভিলারিয়াল রাইট ব্যাক পেরভিস এস্টোপিনানের পায়ে লেগে তাদের গোল পোস্টের দিকে এগোতে থাকে এবং ওপর থেকে আসা বলটি গোল রক্ষকের আঙ্গুলে লেগে গোল পোস্টে প্রবেশ করে। গোলটি লিভারপুলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

১-০ তে পিছিয়ে থাকা ভিলারিয়াল প্রথম গোল হজম করার আগেই লিভারপুলের আক্রমণের শিকার হয়। এবার সালাহর পাসে চতুর গোল করে সাদিও মানে। দুই মিনিটে দুই গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যায় লিভারপুল। ২-০ তে এগিয়ে থাকা লিভারপুল আক্রমণ করতে থাকলেও আর সফলতা আসেনি তাদের।

কাউন্টার আক্রমণে ভিলারিয়াল দক্ষ হলেও লিভারপুলের নিখুঁত পজেসন প্লের বিপক্ষে সেই কৌশল ব্যবহার করা দুধভাত নয়। খেলার পরিসংখ্যান তারই প্রমাণ। ৯০ মিনিটের এই খেলায় ৭৪ শতাংশ পজেসন ছিল লিভারপুলের । লিভারপুল এই ৯০ মিনিটে শুট করেছিল ১৯টি, অপর দিকে ভিলারিয়াল মাত্র একটি শুট করেছিল। মিডফিল্ড পারফরমেন্সের জন্য ম্যাচ সেরা হন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার থিয়াগো।

৪মে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে দেখা করবে এই দুই দল। ফাইনাল খেলতে হলে ভিলারিয়ালকে খেলতে হবে আক্রমণাত্মক ফুটবল।