

গোল্ডেন বুট শুধুমাত্র ফিফা বিশ্বকাপেই দেওয়া হয়না, ইউরোপিয়ান লীগে সিজন শেষে, যে সর্বোচ্চ গোল করে তাকেও দেয়া হয় গোল্ডেন বুট। গত সিজনে সর্বোচ্চ ৩৫ গোল নিয়ে, গোল্ডেন বূট জিতেছেন লেভানদোভস্কি।এই সিজনের শেষ দিকে জমে উঠেছে, সর্বোচ্চ গোলস্কোরারের লড়াইটা।এই দৌড়ে মেসিও রয়েছে টপ স্কোরারের সংক্ষিপ্ত লিস্টে। এর আগেই ৬ বার জিতে নিয়েছিলেন গোল্ডন বূটের এওয়ার্ড। ৩৫ বছরের মেসি ক্যারিয়ারে গৌধুলিলগ্নে , খেলার ধরনটাও পালটেছেন পিএসজিতে এসে। পিএসজিতে প্রথম সিজনটা তেমন একটা ভালো কাটেনি। তবে ২য় সিজনের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। দুর্দান্তভাবে শুরু করলেও, বিশ্বকাপের পর থেকে, কিছুটা খেই হারা লিওনেল মেসি।তবে গোল করার চেয়ে এখন নেইমার,এম্বাপ্পেদের গোল করাতে স্বাচ্ছন্দবোধ করেন এই কিংবদন্তি। তাইতো এখন পর্যন্ত, ২৬ ম্যাচ খেলে গোলের সংখ্যাটা মাত্র ১৩, আর এসিস্ট রয়েছে ১৩ টি।এসিস্টের দিক দিয়ে, এখনো লিগ ওয়ানের টপ লিস্টে রয়েছেন তিনি। গোল্ডেন বুট কিংবা সেরা গোলদাতা পুরষ্কারের লিস্টে ,তার নামটি এই সিজনে একটু পিছনের দিকে। ২২ নাম্বারে থেকে এই এওয়ার্ড পাওয়াটা, এক প্রকার অনিশ্চিত বলায় যায়।অন্যদিকে তার সতীর্থ নেইমার, ইঞ্জুরির কারনে এখন মাঠের বাহিরে,এই মৌসুমে যে মাঠে ফিরছেননা, সেটা নিশ্চিত। তার আগেই, সেরা ফর্মের একটা সময় কাটিয়ে ছিলেন, সিজনের শুরু থেকেই।বিশ্বকাপের পর থেকেই, সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছিলনা তার। ২৬ ম্যাচে ১৩ গোল নিয়ে, ইউরোপের সর্বোচ্চ স্কোরার হতে পারবেননা এটা শিউর। লিস্টে তার অবস্থান রয়েছে ২০ -এ।এই সিজনের সবচেয়ে বিস্ময় জাগানো, ব্রাজিলের প্লেয়ারের নাম গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি। গত সিজনেই ছিলেন পুরো সময়টা নিজের ছায়া হয়ে। এবার প্রথম থেকেই নিয়মিত গোলধারায় তিনি। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে, টপে নিয়ে গেছেন আর্সেনালকে। ২৬ ম্যাচে করেছেন ১৩ টি গোল। ইউরোপের সর্বোচ্চ গোল স্কোরার না হতে পারলেও, গানারদের নিয়ে যাচ্ছেন লীগ শিরোপার দিকেই তিনি।ইউরোপের সর্বোচ্চ গোল স্কোরারের লিস্টে, ১৬ নাম্বারে অবস্থান আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড লাউতেরো মার্টিনেজ। বিশ্বকাপে জ্বলে উঠতে না পারলেও, ক্লাবে এসে দুর্দান্ত পারফর্ম করছেন তিনি। ইন্টার মিলানকে নিয়ে গিয়েছেন, চ্যাম্পিয়নস লীগের কোয়ার্টার ফাইনালে। এখন পর্যন্ত ২৮ ম্যাচে ১৪ গোল করে, শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারবেন তো, সর্বোচ্চ গোল স্কোরারের লিস্টে? ম্যান ইউর উত্থানে ,যারা দারুনভাবে নিজের পারফর্মেন্স দেখাচ্ছেন, তাদের মাঝে অন্যতম মার্কাস রাশফোর্ড। প্রতি ম্যাচেই করছেন ম্যাচ জেতানো গোল। এখন পর্যন্ত ৩০ ম্যাচে করেছেন ১৫ গোল।৪ নাম্বারে রয়েছেন কিলিয়ান এম্বাপ্পে, পিএসজিতে তিনি গোলধারায় থাকলেও, শেষ ম্যাচ গুলোতে গোল খরায় থাকতে হচ্ছে তাকে। মাঠের বাহিরের বিভিন্ন কর্মকান্ড নিয়েও, সমালোচিত তিনি। ম্যারাডোনার স্মৃতি বিজরিত ক্লাব, নাপোলির উত্থানে দারুন ভুমিকা রাখছেন, ভিক্তর ওশীমেন। ৪২ ম্যাচে ২১ গোল নিয়ে তার অবস্থান ৩য়তে। ২য় তে রয়েছে যথারীতি হ্যারি কেন। এখন পর্যন্ত গোল্ডেন বূট পাওয়ার দৌড়ে, সবচেয়ে বেশি এগিয়ে রয়েছেন আর্লিং হাল্যান্ড।



