যেখানে এম্বাপ্পে ব্যর্থ,সেখানেই সফল মেসি। পিএসজিকেও এনে দিচ্ছেন স্বস্তি।
হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া
-3727.jpg&w=3840&q=75)

গ্যালারিভর্তি দর্শকরা যে প্লেয়ারকে নিয়ে করছিলেন দুয়োধ্বনি কিংবা গালি-গালাজ,সেই মেসিই পিএসজিকে উদ্ধার করলো,নিজের অসাধারন পারফর্মেন্স দিয়েই। যেখানে ঘরের ছেলে এম্বাপ্পে ব্যর্থ,সেখানেই মেসিই পিএসজির ত্রানকর্তা।টানা দুই ম্যাচ হারার পরে, পিএসজি সমর্থকদের এই ম্যাচকে ঘিরে ছিল নানা আশংকা ও দ্বিধা। কিন্তু সেই আশংকা দুর করে মেসির অনবদ্য পারফর্মেন্সে পিএসজি জিতেছে দারুনভাবে।ঠিক আগের ম্যাচেই গ্যালারির দর্শকদের দুয়ো ধ্বনি শুনতে হয়েছে তাঁকে। মেসির ক্যারিয়ারের এমন ঘটনা লজ্জাজনকই বটে, বাজে পারফর্মেন্সের কারনে গ্যালারি ভর্তি দর্শকেরা, মেসির সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করে যাচ্ছে। তাকে শুনতে হচ্ছে নানা কটু কথা। যেখানে বার্সেলোনা কিংবা আর্জেন্টিনায় ভালোবাসার প্রাপ্তিতে ভরপুর তার ক্যারিয়ার,সেখানে প্যারিসে এসে তাকে অপমান মানে, ফুটবলের অপমান।সব এক পাশে সরিয়ে রেখে,যেভাবে জবাবটা দেয়া দরকার, সেটাই করলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। সমালোচনার জবাবটা দেন মাঠের পারফর্মেন্স দিয়েই।মাঠে নেমে বাঁ পায়ের মাপা শটে দারুণ এক গোল এনে দিলেন পিএসজিকে। পরে সার্জিও রামোসের আরেকটি গোল আর জিয়ানলুইজি ডোনারুমার দৃঢ়তায় নিসের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে মেসিরা।পিএসজির অবস্থা মোটেও ভালো যাচ্ছে না ইদানীং। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালি এটাকিং লাইন নিয়েও ম্যাচের পর ম্যাচে হারতে হচ্ছে তাদেরকে। কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করেও, চ্যাম্পিয়নস লীগ জেতা হচ্ছেনা নাসের আল খেলাইফির। যাকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি আশা করেছিল সেই, মেসিও পারলোনা পিএসজিকে চ্যাম্পিয়নস লীগ জেতাতে।চ্যাম্পিয়নস লিগ আর ফরাসি কাপ থেকে বিদায় হয়ে গেছে আগেই। এবার লীগ শিরোপা থেকেও বাদ পড়ে যায় মেসিরা। এমন আশংকার মাঝেই, গতকাল নিসের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল মেসিরা।প্রতিপক্ষের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকে এটাকিং মুডে ছিল পিএসজিই। ২২ মিনিটেই গোল পেয়ে যেতে পারতেন দানিলো পেরেইরা। খুব কাছ থেকে নেওয়া পেরেইরার, হেড গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। তবে মেসিময়ী এইদিনে,গোলের জন্য খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি প্যারিসিয়ানদের। ২৬ মিনিটেই গোলের দেখা পায় মেসিরা। বা দিক থেকে নুনো মেন্ডেসের ক্রস, ডি-বক্সে থাকা মেসির, বল পেতে খুব বেশি সময় নেননি। শুন্যে থাকা বলটির জাস্ট গতিপথ পরিবর্তন করে, প্রতিপক্ষের গোলপোস্টের জালে পাঠান লিও মেসি। বা পায়ের অসাধারন শটে গোল করে, তিনি পৌঁছে গেছেন ইউরোপীয় লীগের টপ স্কোরারের শীর্ষে, ছাড়িয়ে গেছেন সময়ের সেরা প্রতিদ্বন্ধি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে।৭০২ গোল করে মেসিই এখন ইউরোপের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার ।রেকর্ড ভাংগার দিনে, শুধু রেকর্ড করেই ক্ষান্ত ছিলেন তিনি। বরং ৭৬ মিনিটে সার্জিও রামোসের গোলেও, অবদান রেখেছেন এলএমটেন। মেসিময়ী এই দিনে বিবর্ন ছিল এম্বাপ্পে। ৯২ মিনিটের দিকে মেসি গোলের সুযোগ পেলেও, নিজে গোল না করে, এম্বাপ্পের দিকে বল দিলেও, সহজ সুযোগে, গোল করতে পারেননি এম্বাপ্পে।।



