

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ শেষ আন্তর্জাতিক ওয়ানডে খেলেছিলেন ইংল্যান্ড সিরিজে। সেই সিরিজের শেষ ম্যাচে ৮ রান করেছিলেন ৯ বলে। এর পরই “বিশ্রামের” কথা বলে মাহমুদুল্লাহকে স্কোয়াড থেকে বাদ দেন প্রধান কোচ হাতুরুসিংহে। ৩৭ পেরুনো মাহমুদউল্লাহ ওয়ানডেতে নিচের দিকে দলের চাহিদা অনুযায়ী ব্যাট করতে পারছিলেন না। ফিল্ডিংয়েও ধুঁকছিলেন তিনি। আর বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের এখন যে অবস্থান, ম্যানেজম্যান্ট ,ভক্ত, দর্শকেরা চাইলেও এখন কেউ ফর্মে না থাকলে চাইলেই জাতীয় দলে সুযোগ পাবেন না এটাও স্বাভাবিক। এদিকে বিসিবি টিম ডিরেক্টর ও পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন একদিন আগেই বলছিলেন, মাহমুদউল্লাহকে তিনি আর বিশ্বকাপ দলে দেখেন না। খালেদ মাহমুদ তাই গণমাধ্যমে জানিয়ে দেন বাস্তবতা, 'রিয়াদ আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার অবশ্যই। বাংলাদেশ দলকে সে অনেক ম্যাচ জিতিয়েছে। কিন্তু আমি যদি সত্যি বলি, যেহেতু ও জাতীয় দলে নেই, তাই তাকে বিশ্বকাপে দেখছি না। কারণ যদি তাকে বিশ্বকাপে দেখতাম এই সিরিজগুলোতে (আয়ারল্যান্ড) থাকত।'অন্যদিকে আফিফের ব্যাপারটা ভিন্ন। টানা ৬১ ম্যাচ বাংলাদেশের জার্সিতে খেলার পর আফিফকেও দল থেকে বাদ দেওয়া হয় অফ ফর্মের কারণে। তবে আফিফ যে লম্বা রেসের ঘোড়া, তা অবশ্য হাতুরুসিংহের অজানা নয়। আফিফ আবার যে কোনো সময় জাতীয় দলে ব্যাক করতে পারে সেটা আফিফ নিজেও ভালোই জানেন। তবে এটা মেনে নিতে হবে যে, বর্তমানে মাহমুদুল্লাহ চলে গেছেন পর্দার আড়ালে। স্বাভাবিকভাবেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এই অভিজ্ঞ তারকার সমাপ্তির আভাসই মিলছে। কিন্তু প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে বিষয়টাকে আরেকটু চেখে দেখতে চান।আসন্ন ওয়ানডে বিশ্বকাপকে ঘিরে এখনই মাহমুদুল্লাহকে বাতিলের খাতায় ফেলতে চান না লংকান এ কোচ। গত শনিবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলন ক্যাম্পের শেষ দিনে মাহমুদউল্লাহ ও আফিফের ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে নিজের মত দেন হাথুরুসিংহে, '(আফিফ ও মাহমুদউল্লাহ) তাদের ব্যাপারে আমি আগে যা বলেছি সেটিই থাকবে। তারা সবাই মিক্সে (প্রাথমিক দলের ভাবনায়) আছে। বিশ্বকাপের আগে তারা সবাই-ই খেলার সুযোগ পাবে। আমরা ওই মাইন্ডসেটে কোনো পরিবর্তন করিনি।'



