

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার খেলা হতে পারে আগামি জুনেই। আসন্ন জুনেই, মেসিরা খেলবে এশিয়ার দুটি দেশের বিপক্ষে। বাংলাদেশে মেসিদের আসার কথা থাকলেও, সেটা আর সম্ভব হয়নি বাফুফের করা কৃতকর্মের বিভিন্ন কারনে। তবে বাংলাদেশে না এলেও, এশিয়াতেই মেসিরা আসছে বলে জানা যায়, আর্জেন্টিনার বিভিন্ন গনমাধ্যম থেকে। আগামী জুনে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন মেসিদের বাংলাদেশে আনার পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের। মাঠ প্রস্তুত না থাকার কথা বলে শেষ পর্যন্ত মেসিদের বাংলাদেশে আনা সম্ভব হবে কিনা সেটি নিয়েও ছিল সংশয়। অবশেষে, সেই আশঙ্কাই সত্যি হলো। জুনে বাংলাদেশে আসছে না মেসির আর্জেন্টিনা।এটা এখন নিশ্চিত। দিন কয়েক আগে বাফুফে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে জানানো হয়েছে, মাঠ সংকটের কারণে জুনে দেশে কাতার বিশ্বকাপজয়ীদের ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব নয়। তবে আলবিসেলেস্তেদের বাংলাদেশ সফর বাতিল হয়ে গেলেও,আগামী মাসে দুইটি প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামতে পারে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় ক্রীড়া সাংবাদিক গাস্তন এদুল থেকে জানা যায়, জুনের শেষদিকে ইন্দোনেশিয়া ও চীন সফরে যাবেন মেসিরা। দুই দলের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলবে কোচ স্কালোনির শিষ্যরা। অর্থাৎ, বাংলাদেশে আসা না হলেও আগামী মাসে ইন্দোনেশিয়া ও চীনে দুইটি প্রীতি ম্যাচে লড়বে মেসি-ডি মারিয়ারা। আর্জেন্টিনা এসোসিয়েশন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত কোন খবর না আসলেও, বিভিণ্ণ গনমাধ্যম থেকে এমন সংবাদ জানা যায়। সোনালি ট্রফি হাতে মেসিরা চ্যাম্পিয়নদের মতোই দাপট দেখাচ্ছে ইদানীং। বিশ্বকাপের পরে দুটি ম্যাচ খেলেছে মেসিরা। দুই ম্যাচেই জয় পেয়েছে আলভিসেলেস্তেরা। কাতার বিশ্বকাপের পুরো সময় জুড়ে বাংগালিদের প্রশংসা করে গিয়েছে আর্জেন্টাইন দেশের গনমাধ্যম,সোসাল মিডিয়া আর তাদের অফিসিয়াল ফেইসবুক পেজ গুলোতে। মেসিরা সোনালি ট্রফিটি হাতে পাওয়ার পর আর্জেন্টিনার জাতীয় ফুটবল দলের অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে পোস্ট দেয়া হয়েছে।দুদেশের মাঝে দারুন এক সখ্যতা বিরাজ করছে বর্তমানে। সেই সখ্যতা থেকেই মেসিরা সায় দিয়েছিল,বাংলাদেশে আসার।



