

ফিফা ৫১ পৃষ্ঠার যে রিপোর্ট দিয়েছিল সেটা নিয়ে আরো একটি পত্র এসেছে বাফুফেতে। বিষয়বস্তু আগেরই। পুরোনো রিপোর্টে যেসব কথা বলা ছিল সেটা নিয়ে আবার চিঠি দিয়েছে। রিপোর্ট ছিল চার জনের ব্যাপারে। এদের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগকে ফিফা নিজেই নিষিদ্ধ করেছে। বাকি তিন জনের মধ্যে এক জন হচ্ছেন বাফুফের প্রধান হিসাব কর্মকর্তা আবু হোসেন, অপারেশনস ম্যানেজার মিজানুর রহমান এবং প্রকিউরমেন্ট ম্যানেজার ইমরুল হাসান শরিফ। এই তিন জনের মধ্যে প্রথম দুই জন পদত্যাগ করে নিজেরাই সরে গিয়েছেন। কিন্তু তাদের পদত্যাগপত্র শর্তসাপেক্ষে গ্রহণ করেছে বাফুফে। আর প্রকিউরমেন্ট ম্যানেজার শরিফ এখনো বাফুফেতে রয়েছেন। ফিফার পত্র অনুযায়ী শরিফ এখন বিদায়ের অপেক্ষায়। বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন গতকাল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি কোনো বিতর্কিত লোককে বাফুফেতে রাখবেন না। সংবাদমাধ্যমকে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘ফিফা কোনো চিঠি দিয়ে থাকলে সেটি খুবই গোপনীয়। এটা আমার কাছে আসেনি।’ তিনি বলেন, ‘বিতর্কিত লোকবল ১৫ দিনের মধ্যে অপসরাণ করা হবে।’ফিফার ৫১ পৃষ্ঠার রিপোর্টে ঘাস কাটার মেশিন কেনার বিষয়টি ছিল চতুর্থ নম্বরে। ফিফা মনে করছে, ঘাস কাটার মেশিন কেনা নিয়ে অনিয়ম হয়েছে। ফিফা তার রিপোর্টে বলছে, মেশিন কেনা হয়েছে সেটা বাফুফে ব্যবহারও করছে। কিন্তু কেনার কাজটা সঠিক নিয়ম মেনে হয়নি। স্টেডিয়ামের মাঠের ঘাস কাটার মেশিনের দাম প্রায় দেড় লাখ টাকা। এই মেশিন ক্রয়ের পর টেন্ডার প্রক্রিয়া হয়েছে। ফিফার চোখে এটাই অনিয়ম। কী নিয়ম আর অনিয়ম সেটা নিয়ে ভাবতে চান না বাফুফের সভাপতি। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, বাফুফের গোটা প্রসানিক ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাবেন।



