

মোহাম্মদ সালাহ’র হৃদয়টা ভেঙেচুরে একাকার দিলেন সাদিও মানে। আর তাইতো ভাঙা হৃদয় নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়লেন লিভারপুলের এই তারকা ফুটবলার।
লিভারপুলের দুই তারকা যেখানে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খেলেন সেখানে এমন কিছু ঘটবে, তেমনটা ভাবতেই কেমন যেন অদ্ভুত আর বেমানান লাগে। কিন্তু ঘটনাটি সত্যিই ঘটেছে। কাতার বিশ্বকাপে সেনেগালের রাজধানী ডাকারে মঙ্গলবার রাতে সাদিও মানের দলের মুখোমুখি হয় মিসর। অবশ্য সেটি কোন ক্লাব খেলা নয়; বিশ্বকাপ বাছাইয়ের খেলা। যেখানে সালহ’র মিসর পুরোপুরি পরাস্ত হয়েছে সাদিও মানের সেনেগালের কাছে।
বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব প্লে অফ লেগ ম্যাচে মিসরকে ১-০ গোলে হারিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ১-১ ব্যবধানে সমতা আনে সেনেগাল। খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও নিষ্পত্তি না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকার পর্যন্ত।
কিন্তু স্নায়ুচাপের এ পরীক্ষায় ফেল করলেন মোহাম্মদ সালাহ। ৩-১ গোলে হেরে যায় তার দল। অবশেষে কাতার বিশ্বকাপের টিকিট পায় সেনেগাল।
টাইব্রেকারে প্রথম শটটি নিতে আসেন সেনেগালের সেন্টারব্যাক কালিদু কৌলিবালি। তার শট পোস্টে লেগে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পরের শটটি গোলপোস্টের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন মিশর তারকা সালাহ! এর পর দুটি শটেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি দুই দল!
এদিকে মিসরের হয়ে মুস্তফা মোহাম্মদের নেওয়া চতুর্থ শটটি দারুণভাবে রুখে দেন সেনেগালের তারকা গোলকিপার এদুয়ার্দো মেন্দি।
নিজেদের তৃতীয় শটে গিয়ে গোল পান সেনেগালের ইসমাইল সার। পরের শটে মিসরকে সমতায় ফেরান আমির এল সোলেয়া। কিন্তু বাম্বা দিয়েং চতুর্থ শটে লক্ষ্যভেদ করার পর ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সেনেগাল।
শেষ পর্যন্ত, সাদিও মানে নিজেদের শেষ শট মিসরের জালে জড়িয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে দেন সেনেগালকে।



