

দক্ষিণ আফ্রিকায় সফরে যাওয়ার আগে বাংলাদেশের কোচ হিসেবে রাসেল ডমিঙ্গোর অবস্থান ছিল বড্ড নড়বড়ে। সাংবাদিকরা সরাসরি প্রশ্ন তাকে প্রশ্ন ছুঁড়েছেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকা কী আপনার শেষ সফর?’ যদিও সেই প্রশ্ন কৌশলে এড়িয়ে গেছেন রাসেল ডমিঙ্গো।
তবে দক্ষিণ আফ্রিকায় ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জেতায় ডমিঙ্গোর অবস্থান আবারও বেশ শক্ত।
কিন্তু দিন দুয়েকের ব্যবধানে ডারবানে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ে বড় ব্যবধানে হারতে হয় মুমিনুলদের। শেষ দিনে ৫৫ মিনিটে ৭ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৫৩ রানেই গুটিয়ে যায় টাইগাররা। এই ম্যাচের বিশ্লেষণে সবার আগে উঠে আসে টসের সিদ্ধান্ত। যেখানে কয়েন ভাগ্য নিজেদের পক্ষে পাওয়ার পর আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় টিম বাংলাদেশ।
অথচ টাইগারদের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো ও পেস বোলিং কোচ অ্যালান ডোনাল্ড বলেছিলেন আগে ব্যাটিং নেওয়ার কথা। কিন্তু কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটারের আপত্তির কারণেই আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। যা তার একদমই পছন্দ হয়নি।
ক্রিকবাজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাপন জানান, আমার মনে হয় যে কোনো খারাপ পারফরম্যান্সের পর আমরা শুধু শুধু ডমিঙ্গোকে বলির পাঁঠা বানানোর চেষ্টা করি। সব ক্রিকেটার কি তার কথা শোনে? আমি জানতে চাই, ক্রিকেটাররা কি সত্যিই শোনে কোচরা কী বলতে চায়?
পাপন আরও বলেন, যেসব ক্রিকেটাররা ডমিঙ্গোর কথা শোনে, তারা ঠিকই উন্নতি করছে। এটা আমি লিখে দিতে পারি। এ সময় তিনি আরোও বলেন, যদি ১৫ জন ক্রিকেটারকে আমি ডাকি, অন্তত ১১ জন বলবে ডমিঙ্গো একজন দুর্দান্ত কোচ। দুই-তিনজন হয়তো আছে, যারা ভিন্ন কথা বলবে । আসলে তারা ব্যক্তিগতভাবেই ডমিঙ্গোকে পছন্দ করে না।
বিসিবি সভাপতির মতে, যারা কোচের কথা শোনে না, তাদের জিজ্ঞেস করে লাভ কী? আমাকে তাদের কথা শুনতে হবে যারা কোচের সঙ্গে কাজ করছেন। যখন তারা ফিরবে তখন কোচের সামনে সবার সঙ্গে বসে সব কিছু সমাধান করব।



