বাংলাদেশ


ঈদকে সামনে রেখে বাজারে লিলির নতুন দুটি সিরাম ওয়েল


দুরবীন ডেস্ক

দুরবীন ডেস্ক

প্রকাশিত:১৬ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার

ঈদকে সামনে রেখে বাজারে লিলির নতুন দুটি সিরাম ওয়েল

ছবি: সংগৃহীত


চুলের যত্নে নতুন দুটি সিরাম ওয়েল বাজারে এনেছে দেশের জনপ্রিয় কসমেটিকস ও স্কিন কেয়ার ব্র্যান্ড লিলি। ঈদকে সামনে রেখে উন্মোচন করা এই দুটি পণ্য ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন রিটেইল আউটলেটে পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

‘এডভান্সড এন্টি হেয়ার ফল সিরাম ওয়েল’ এবং ‘এডভান্সড হেয়ার গ্রোথ সিরাম ওয়েল’ এই দুটি পণ্য আকর্ষণীয় প্যাকেজিংয়ে বাজারে আনা হয়েছে। লিলির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন এই সিরাম ওয়েলগুলো চুলের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে সহায়ক হতে পারে।

 

পণ্যগুলোর একটি ‘এডভান্সড এন্টি হেয়ার ফল সিরাম ওয়েল’, যাতে ভিটামিন ই ও সি সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক তেলের সমন্বয় রয়েছে। লিলির চিফ বিজনেস অফিসার আবির আদনান বলেন, নিয়মিত ব্যবহারে এই তেল ৩০ দিনের মধ্যে চুল পড়া কমাতে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি এটি চুলের গোড়া শক্ত করে, চুল ভাঙা কমায় এবং খুশকি দূর করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

 

তিনি আরও জানান, এই তেল চুলকে নরম ও মসৃণ রাখতে সহায়তা করার পাশাপাশি সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি (ইউভি) রশ্মি থেকে চুলকে সুরক্ষা দিতে পারে।

 

অন্যদিকে ‘এডভান্সড হেয়ার গ্রোথ সিরাম ওয়েল’ নতুন চুল গজাতে সহায়তা করে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে এটি চুলের গোড়া মজবুত করে, শুষ্কতা কমায় এবং খুশকি দূর করতে সাহায্য করে।

 

লিলির এই দুটি পণ্যের প্যাকেজিংয়েও নতুনত্ব আনা হয়েছে। বোতলের ক্যাপের সঙ্গে বিশেষ অ্যাপ্লিকেটর সংযুক্ত থাকায় ব্যবহারকারীরা সহজেই সরাসরি চুলের গোড়ায় তেল ব্যবহার করতে পারবেন।

 

ঈদের আগে বাজারে আসা এই দুটি সিরাম ওয়েল বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সুপারশপ ও মডার্ন ট্রেড আউটলেটে পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে হারল্যান স্টোরের দেশজুড়ে ১৫০টির বেশি আউটলেট, পাশাপাশি স্বপ্ন, মিনা বাজার, মোস্তফা মার্ট ও ইউনিমার্টসহ বিভিন্ন সুপারশপ।

 

অ্যাসোসিয়েশন অব স্কিন কেয়ার বিউটি প্রোডাক্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অব বাংলাদেশের (এএসবিএমইবি) সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দীন বলেন, দেশীয় ব্র্যান্ডের পণ্যের এই অগ্রগতি ক্রেতাদের জন্য ইতিবাচক খবর। বাংলাদেশে উৎপাদিত এসব পণ্য এখন মধ্যপ্রাচ্য, থাইল্যান্ড, ভারত ও আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সহায়ক।

 

উল্লেখ্য, রিমার্ক এলএলসি ইউএস-এর অ্যাফিলিয়েটেড প্রতিষ্ঠান রিমার্ক এইচবি লিমিটেড বাংলাদেশে নিজস্ব কারখানায় লিলি, নিওর, ব্লেইজ-ও-স্কীন, সিওডিল, একনল, টাইলক্স, অরিক্স, সানবিট, কেভোটিন ও স্কিন মিন্টসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের পণ্য উৎপাদন করছে।


সম্পর্কিত

ঈদলিলিসিরাম ওয়েল

জনপ্রিয়


বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন

রিমার্কের ‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইন শুরু, দুই লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ পুরস্কারের সুযোগ

হোমকেয়ার ও কসমেটিকস পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রিমার্ক এইচবি লিমিটেড ব্যবসায়িক অংশীদার ও খুচরা বিক্রেতাদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী ‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইন আপনজন-০১ চালু করেছে। ৩ জুন থেকে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইনের প্রথম ধাপ চলবে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। ক্যাম্পেইনের আওতায় দেশের যেকোনো প্রান্তের তালিকাভুক্ত রিটেইলার বা বিক্রেতারা ন্যূনতম ২ হাজার টাকার রিমার্ক পণ্য ক্রয়ের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ পুরস্কার জয়ের সুযোগ পাবেন।

মুজিবুল হকের উত্থানের নেপথ্যে কী? ‘আমেরিকান ডাক্তার’ পরিচয়, চিকিৎসা সাম্রাজ্য ও বিতর্কের অনুসন্ধান

রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডির শুক্রাবাদে অবস্থিত “আমেরিকান ওয়েলনেস সেন্টার” নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্টেম সেল থেরাপি, অল্টারনেটিভ মেডিসিন এবং ফাংশনাল মেডিসিনের আড়ালে ভয়াবহ প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার হিসেবে পরিচিত প্রফেসর ড. এম মুজিবুল হক নিজেকে দীর্ঘদিন ধরে ‘আমেরিকান বোর্ড সার্টিফায়েড ডাক্তার’, ‘ফাইভ স্টার প্রফেসর’ এবং আন্তর্জাতিক চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রচার করে আসলেও, অনুসন্ধানে উঠে এসেছে তার পরিচয়, চিকিৎসা যোগ্যতা, স্টিমসেল ব্যবসা এবং রোগীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি নিয়ে বিস্ময়কর সব প্রতারণার তথ্য।

ইসলামী ব্যাংককে বাঁচাতে দ্রুত উদ্যোগ চাইলেন শফিকুর রহমান

জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ইসলামী ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশের ব্যাংকিং খাতের ওপর আস্থা কমে যেতে পারে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব জাতীয় অর্থনীতিতেও পড়বে। একই সঙ্গে ব্যাংকটির প্রকৃত শেয়ারহোল্ডারদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কমছে না হামের প্রকোপ, ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

দেশব্যাপী হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের দাবি করলেও আক্রান্তের সংখ্যা এখনো উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি শিশু টিকার আওতায় আনা হলেও প্রতিদিন হাজারের বেশি শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।