

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে।
শুক্রবার ভোর থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও মাঝিকান্দি নৌরুটে পদ্মা পাড়ি দিতে ঘাটে আসছে হাজার হাজার মানুষ। বাড়তি যানবাহনের চাপে হিমশিম খাচ্ছেন শিমুলিয়া ঘাট কর্তৃপক্ষ।
সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় বৃহস্পতিবার রাত থেকে শিমুলিয়া ঘাটে যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ বাড়তে থাকে। শুক্রবার সকাল থেকে নদী পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে পাঁচ শতাধিক যানবাহনসহ কয়েক হাজার মানুষ।
বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে শিমুলিয়া ঘাটে যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ ঢিলেঢালা থাকলেও শুক্রবার ভোর থেকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহন ও যাত্রীর চাপ বাড়তে থাকে। এছাড়া লঞ্চ ও স্পিডবোটেও যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। তিনটি লঞ্চঘাটে আধা ঘণ্টার ব্যবধানে ছেড়ে যাচ্ছে একটি করে লঞ্চ। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও মাঝিকান্দি দুই রুটে ৮৫ টি লঞ্চ ও ১৫৫ স্পিডবোট চলাচল করছে।
শুক্রবার ভোররাত থেকে ফেরি ঘাটের চেহারাও বদলে গেছে, ৪টি ফেরিঘাটে দশটি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে, একটি ফেরি ঘাটে ভিরলেই ঘরমুখো শত শত মানুষ ওঠার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ছে।
এই নৌপথে ফেরিতে ভারী যানবাহন পারাপার নিষিদ্ধ থাকায় হালকা যানবাহন ও ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমবঙ্গের ২১ জেলার মানুষ যাত্রা শুরু করেছেন।
এদিকে তীব্র গরমে ফেরির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে নাড়ির টানে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া মানুষদের।


