

এহসান আল কুতুবী, কক্সবাজারঃ
সেনাপ্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৩ সালের জুন মাসে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৩০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।
শনিবার কক্সবাজারে বাস্তবায়নাধীন জলবায়ু উদ্বাস্তুদের বিশেষায়িত আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
সেনাবাহিনী প্রধান বলেন, খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রকল্প। জলবায়ু উদ্বাস্ত ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কারণে ভূমিহীন ৩৮০৮টি পরিবারের পুনর্বাসন করা এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। প্রকল্পটি ২৪ নভেম্বর ২০২০ তারিখে একনেক সভায় অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের মূল কার্যক্রমের মধ্যে পাইল ফাউন্ডেশন দিয়ে ১১৯টি ৫ তলা ভবন নির্মাণ অন্যতম। এছাড়াও এই প্রকল্পের আওতায় ধর্মীয় উপাসনালয়, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র, খেলার মাঠ এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থাসহ বিবিধ সুবিধাদি নির্মাণ করা হচ্ছে।
এ সময় তিনি নির্ধারিত সময়ে মানসম্মত নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
এর আগে দুপুর ১২ টা নাগাদ সেনাপ্রধান খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্পে পৌঁছালে প্রকল্পের সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন ৩৪ কনস্ট্রাকশন বিগ্রেডের কমান্ডার বিগ্রডিয়ার জেনারেল মাসুদুর রহমান।
পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং মেজর জেনারেল ফখরুল আহসানসহ উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, বিমান বন্দর সম্প্রসারণের কারণে শহরের সমিতি পাড়া ও কুতুবদিয়া এলাকায় আশ্রয় নেয়া জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্যে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ শ ৩৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা। যেখানে স্থায়ী মাথা গোজার ঠাঁই পাবে জলবায়ু উদ্বাস্তু ৩ হাজার ৮শ ৮ টি পরিবার।
প্রকল্পে থাকবে ১৩৯ টি পাঁচতলা ভবন,যার মধ্যে তৈরী হওয়া ২০ টি ভবনে ৬০০ পরিবারকে ২০২০ সালে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে একটি করে ফ্ল্যাট। বাকী ১১৯ টি ভবন নির্মানের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে আসেন সেনাপ্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।



