
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় স্ত্রীর সাথে কলহের জের ধরে দুই কন্যা সন্তানসহ স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে।
রোববার (৮ মে) স্ত্রী এবং দুই কন্যা সন্তানকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত দন্ত চিকিৎসক আসাদুজ্জামান রুবেলকে আটক করে পুলিশ।
নিহতরা হলেন, চিকিৎসক রুবেলের স্ত্রী লাভলী (৩৫), মেয়ে ছোঁয়া (১৬) ও কথা (১২)। মেয়ে দুটি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতো।
স্বজনদের বরাতে জানা যায়, ২২ বছর পূর্বে লাভলী এবং রুবেলের বিয়ে হয়। কিন্তু পরপর দুটি কন্যা সন্তান জন্ম দেয়ায় অসন্তুষ্ট ছিলেন রুবেল। বিভিন্ন সময় লাভলীর সাথে এ ব্যাপারে কথা কাটাকাটি হত এবং নির্যাতন চালানো হত। তাছাড়া রুবেল বিভিন্ন কারণে ২০ লাখ টাকার মতো ঋণ করে। আর এ টাকা পরিশোধের জন্য বারবার লাভলীকে চাপ প্রয়োগ করলে লাভলীও টাকা এনে দিত পরিবারের কাছ থেকে। কিন্তু পুণরায় টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করলে লাভলী তাতে অস্বীকৃতি জানালে রোববার ভোরের কোন এক সময় পরিবারের তিন সদস্যকে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায় রুবেল।
পরবর্তীতে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায় এবং লাশ উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
মানিকগঞ্জ শিবালয় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরজাহান লাবনী বলেন, আমরা রুবেলকে আটক করেছি। হত্যার পর রুবেল নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল।
এদিকে রুবেলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী ও স্বজনরা।


